Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts
Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts

Friday, April 24, 2020

করোনাভাইরাস সংক্রমণে হঠাৎ স্ট্রোকের ঝুঁকিতে তরুণরা

করোনাভাইরাস সংক্রমণে হঠাৎ স্ট্রোকের ঝুঁকিতে তরুণরা

নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে সৃষ্ট বিশ্বমহামারি কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার পর তরুণদের অনেকেরই হঠাৎ স্ট্রোকের ঘটনা ঘটছে। তাদের কারোরই আগে অসুস্থতার ইতিহাস ছিল না। মার্কিন চিকিৎসকদের প্রতিবেদনের বরাতে এ খবর জানিয়েছে সিএনএন।


যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে চিকিৎসকদের কয়েকজন জানিয়েছেন, নভেল করোনাভাইরাস আক্রান্ত ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মধ্যে হঠাৎ স্ট্রোকের ঘটনা বেড়েছে।
এ ব্যাপারে নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হেলথ সিস্টেমের নিউরোসার্জন ডা. থমাস অক্সলে সিএনএনকে বলেছেন, সম্প্রতি স্ট্রোকের কারণে পাঁচ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী তাদের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন। প্রত্যেকের বয়স ৫০ এর নিচে। কিন্তু, প্রাথমিকভাবে তাদের মধ্যে কোভিড-১৯ এর কোনো ধরনের উপসর্গ ছিল না বললেই চলে।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে আক্রান্তদের ধমনীতে রক্ত জমাট বেধে যাওয়ায় মারাত্মক স্ট্রোক হতে দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদন থেকে দেখা যাচ্ছে, দুই সপ্তাহের মধ্যে তরুণদের হঠাৎ স্ট্রোকের ঘটনা সাত গুণ বেড়েছে।
তিনি আরও বলেন, এদের বেশিরভাগেরই অসুস্থতার কোনো ইতিহাস নেই। কোভিড-১৯ রোগের হালকা লক্ষণ (দুইজনের ক্ষেত্রে কোনো লক্ষণই ছিল না) নিয়ে তারা বাড়িতেই ছিলেন। কিন্তু, টেস্টের পর তারা সবাই নভেল করোনাভাইরাস পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।
ডা. থমাস অক্সলের মতে, এখন অবধি মানুষকে কেবলমাত্র শ্বাসকষ্ট বা উচ্চ তাপমাত্রার উপসর্গের ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য জরুরিভিত্তিতে ফোন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু করোনার হালকা উপসর্গের পাশাপাশি স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকলেও রোগীকে জরুরিভিত্তিতে হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে। স্ট্রোকের ঘটনায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। স্ট্রোকের ক্ষেত্রে কয়েক ঘন্টাই শারীরিক ক্ষতির মাত্রায় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। এ পার্থক্য নির্ভর করবে স্ট্রোকের উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর কত দ্রুত তাকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে তার ওপর।
যেহেতু স্ট্রোক খুব টাইম সেনসিটিভ, তাই জরুরি মেডিকেল সেবার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ব্রেইনস্টোকের ক্ষেত্রে ছয়ঘন্টার মধ্যে এবং অন্যান্য স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রোগীকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা জরুরি।
স্ট্রোকের রোগী বোঝার ক্ষেত্রে FAST পদ্ধতি অবলম্বনেরও পরামর্শ দেন ডা. অক্সলে, এফ - ফেইস ড্রুপিং (মুখ বেঁকে যাওয়া), এ - আর্ম উইকনেস (হাতের শক্তি হারিয়ে ফেলা), এস - স্পিচ ডিফিকাল্টি (কথা বলতে সমস্যা), টি - টাইম টু কল ইমার্জেন্সি মেডিকেল সার্ভিস (অনতিবিলম্বে অ্যাম্বুলেন্স ডাকা)
মানবদেহে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাবে নিকোটিন: গবেষণা

মানবদেহে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাবে নিকোটিন: গবেষণা

ফ্রান্সের একটি নতুন গবেষণায় গবেষকরা দেখেছেন যে, নিকোটিনের কারণে নভেল করোনাভাইরাস মানবদেহে সংক্রমিত হতে পারে না। এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ বা প্রতিকারে নিকোটিন ব্যাপকভাবে ব্যবহার  করা যায় কি না – সে বিষয়ে আরও গবেষণা চলছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এ খবর জানিয়েছে এনডিটিভি।


এদিকে, নিকোটিনের প্রভাব সংক্রান্ত এই গবেষণার জন্য ফ্রান্সের একটি শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালকে বেছে নেওয়া হয়। সেখানকার ৩৪৩ জন নভেল করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর ওপর গবেষণা চালনা হয়।
এমনিতে, ফ্রান্সের শতকরা ৩৫ ভাগ মানুষ ধূমপায়ী হলেও, ওই গবেষণায় অংশ নেওয়া করোনা রোগীদের মধ্যে মাত্র পাঁচ শতাংশ ধূমপায়ী পাওয়া গেছে। অর্থাৎ,যাদের শরীরে নিকোটিনের উপস্থিতি রয়েছে তারা নভেল করোনাভাইরাসে কম আক্রান্ত হচ্ছেন।

এ ব্যাপারে ফ্রান্সের পাস্তর ইনস্টিটিউটের বিশ্ববিখ্যাত নিউরোবায়োলজিস্ট জ্যা পিয়েরে চ্যাঙ্গিউক্স বলেন, মানবকোষের ওপর নিকোটিন এমন এক আবরন তৈরি করে যা কোষে নভেল করোনাভাইরাসের আক্রমণকে প্রতিহত করে।
অন্যদিকে, ফ্রান্সের ওই হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা দানকারীদের শরীরে প্রাথমিকভাবে নিকোটিন প্যাচ ব্যবহার করে নভেল করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে নিকোটিনের কর্মক্ষমতা পরীক্ষার পরবর্তী ধাপ সম্পন্ন করা হবে। গবেষকরা মনে করছেন – করোনাভাইরাসে মৃত্যুহার কমাতে নিকোটিন কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।
এর আগে, নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণা পত্রেও দেখানো হয়েছিল, চীনে প্রতি এক হাজার জন করোনা আক্রান্তের মধ্যে মাত্র ১২.৬ জন ধূমপায়ী রয়েছেন। যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, চীনে প্রতি ১০০ জনে ২৬ জন ধূমপায়ী রয়েছেন।
করোনা চিকিৎসায় ট্রাম্পের ‘হাস্যকর’ ও ‘বিপদজনক’ প্রস্তাব

করোনা চিকিৎসায় ট্রাম্পের ‘হাস্যকর’ ও ‘বিপদজনক’ প্রস্তাব

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নভেল করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় ইনজেকশনের মাধ্যমে আক্রান্তের শরীরে কীটনাশক ঢুকিয়ে দেওয়া এবং আক্রান্তের শরীর অতি বেগুনি রশ্মির নিচে রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্টের দেওয়া ওই প্রস্তাবনাকে ‘হাস্যকর’ ও ‘বিপদজনক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকরা। খবর বিবিসি।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শাখার প্রধান উইলিয়াম ব্রায়ান এক গবেষণার বরাতে উল্লেখ করেছিলেন – সূর্যের আলো ও তাপে করোনাভাইরাস দূর্বল হয়ে পড়ে। এবং মানুষের লালা ও শ্বাসযন্ত্রে থাকা নভেল করোনাভাইরাস আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহলের মাধ্যমে আরও দ্রুত বিনাশ করা সম্ভব। এছাড়াও, ব্লিচিং পাউডারের মতো কীটনাশক নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে মার্কিন চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কীটনাশক বিষাক্ত পদার্থ, মানব শরীরের ত্বক, চোখ এবং শ্বাসযন্ত্রে ওই বিষের কারণে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হবে।

অন্যদিকে, প্রসিডেন্ট যখন করোনা চিকিৎসায় এই প্রস্তাবনা দিচ্ছিলেন তখন তার পাশেই উপস্থিত ছিলেন হোয়াইট হাউজের করোনাভাইরাস সাড়াদান কার্যক্রমের সমন্বয়ক ডা. ডেবোরা ব্রিক্স। তিনি প্রেসিডেন্টকে জানান – এমন চিকিৎসা পদ্ধতি কেউ কখনও প্রয়োগ করেনি। প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবনা তাহলে প্রথম আমাদের আগে পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
এ ব্যাপারে শ্বাসযন্ত্রের রোগে বিশেষজ্ঞ ডা. ভিন গুপ্ত এনবিসি নিউজকে জানিয়েছেন, শুধুমাত্র মরতে চাইলেই মানুষ ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পদ্ধতিগুলো গ্রহণ করতে পারে।
এছাড়াও, শ্বাসযন্ত্রের রোগের আরেক বিশেষজ্ঞ জন বামস জানিয়েছেন, যদি কারো শ্বাসযন্ত্রে ক্লোরিন বা আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল প্রবেশ করে তাহলে তার মৃত্যু সুনিশ্চিত।
প্রসঙ্গত, চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বিশ্বমহামারি কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শুক্রবার(২৪ এপ্রিল) পর্যন্ত মোট আট লাখ ৮৬ হাজার ৭০৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ৫০ হাজার ২৪৩ জনের। চিকিৎসা নিয়ে নিয়মিত জীবনে ফিরে গেছেন ৮৫ হাজার ৯২২ জন।
প্রথম ট্রায়ালে ‘ব্যর্থ’ করোনার মার্কিন ওষুধ

প্রথম ট্রায়ালে ‘ব্যর্থ’ করোনার মার্কিন ওষুধ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এর চিকিৎসায় ওষুধ উৎপাদনে হন্যে হয়ে উঠেছে বিশ্বের বড় বড় ওষুধ কোম্পানিগুলো। তবে এখন পর্যন্ত জাপানের অ্যাভিগানের বাইরে কোনো ওষুধে সাফল্যের খবর মেলেনি। একই পরিণতি বরণ করতে হয়েছে মার্কিন কোম্পানি জিলিড সায়েন্সকেও। প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে তাদের তৈরি ‘রেমডেসিভির’ নামের অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধটি থেকে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়নি।


বিবিসি’র খবরে বলা হয়, চীনে এই ওষুধটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালু হয়েছিল। তবে করোনাভাইরাসে আক্রন্ত যাদের ওপর ওষুধটি প্রয়োগ করা হয়েছে, এই ওষুধে তাদের তেমন কোনো শারীরিক উন্নতি দেখা যায়নি।
ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের এই ব্যর্থতার খবর আবার বেরিয়ে এসেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফাঁস হওয়া এক নথিতে। ভুল করে তারা এই তথ্য তাদের ওয়েবসাইটের একটি অংশে আপডেট হিসেবে যুক্ত করেছিল। পরে ওই পোস্টটি সাইট থেকে সরিয়ে নিলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বীকার করে নিয়েছে, তথ্যে কোনো ভুল নেই।

ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফল জানিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওই পোস্টে বলা হয়, রেমডেসিভির রোগীর শারীরিক অবস্থার যেমন উন্নতি করতে পারেনি, তেমনি করোনাভাইরাসের উপস্থিতিও কমাতে পারেনি।
ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্য তুলে ধরে স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, ২৩৭ জন রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে ১৫৮ জনকে রেমডেসিভির ওষুধটি দেওয়া হয়, বাকি ৭৯ জনকে এই ওষুধ দেওয়া হয়নি।
একমাস পর দেখা যায়, ওষুধ সেবন করা রোগীদের ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ মারা গেছেন। অন্যদিকে যাদের ওষুধ দেওয়া হয়নি, তাদের ১২ দশমিক ৮ শতাংশ মারা গেছেন। তবে ওষুধটির কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও ছিল। যে কারণে ওষুধটির প্রয়োগ আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পর্কে তাদের পোস্টে সারাংশ হিসেবে লিখেছে, রেমডেসিভির ওষুধটির ‘ক্লিনিক্যাল’ বা ‘ভাইরোলজিক্যাল’ উপকার পাওয়া যায়নি।
রেমডেসিভিরের উৎপাদন জিলিড সায়েন্স অবশ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওই পোস্টকে ‘ভুল ব্যাখ্যা’ হিসেবে অভিহিত করছে। কোম্পানির একজন মুখপাত্র বলেন, আমরা মনে করছি, ওই পোস্টে (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পোস্ট) গবেষণাটির বৈশিষ্ট্য সঠিকভাবে চিত্রায়িত হয়নি। খুব অল্পসংখ্যক ব্যক্তি পাওয়া যাওয়ায় দ্রুতই ওষুধ প্রয়োগ বন্ধ করা হয়েছিল। ফলে পরিসংখ্যানগত দিক থেকে এটি অর্থবহ নয়।
তিনি আরও বলেন, এই ট্রায়ালের ফল সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতো পর্যাপ্ত নয়। যদিও আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে থাকা রোগীদের মধ্যে এটি ভালো কাজ করছিল— এমন প্রবণতা দেখা যাচ্ছিল।

Sunday, April 19, 2020

করোনায় শুধুমাত্র ইউরোপে এক লাখ মৃত্যু

করোনায় শুধুমাত্র ইউরোপে এক লাখ মৃত্যু

চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণে সৃষ্ট কোভিড-১৯ এ মৃতের সংখ্যা শুধুমাত্র ইউরোপ মহাদেশে এক লাখ ছাড়িয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) পর্যন্ত সারাবিশ্বে মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৯৫০ জনের। খবর ডয়চে ভেলে।


এখনও পর্যন্ত নভেল করোনাভাইরাসে মহাদেশ হিসেবে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে ইউরোপ। এই মহাদেশে মৃতের সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে ইতালি। ইতালিতে মোট মৃতের সংখ্যা ২৩ হাজার ২২৭ জন। এরপর রয়েছে স্পেন, সেখানে মৃতের মোট সংখ্যা ২০ হাজার ৪৫৩ জন।
এদিকে, ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্সে মৃতের সংখ্যা ১৯ হাজার ৩২৩ জন, যুক্তরাষ্ট্রে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৬ হাজার ৬০ জনের। এছাড়াও বেলজিয়ামে পাঁচ হাজার ৬৮৩, জার্মানিতে চার হাজার ৫৪৭ এবং নেদারল্যান্ডসে তিন হাজার ৬৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে,নভেল করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে সুইডেন ও সুইজারল্যান্ডে। দেশদুটিতে যথাক্রমে এক হাজার ৫৪০ জন এবং এক হাজার ৩৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বিশ্বমহামারি কোভিড-১৯ এ রোববার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত সারাবিশ্বে মোট ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৩২ জন আক্রান্ত হয়েছেন মোট মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ৬১ হাজার ৯৫০ জন এবং চিকিৎসা নিয়ে নিয়মিত জীবনে ফিরে গেছেন ছয় লাখ ছয় হাজার ৬৭৫ জন।

Friday, April 17, 2020

করোনা: সিঙ্গাপুরে একদিনে প্রায় দ্বিগুণ আক্রান্তের রেকর্ড

করোনা: সিঙ্গাপুরে একদিনে প্রায় দ্বিগুণ আক্রান্তের রেকর্ড

শুরুর দিকে সিঙ্গাপুরকে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় আদর্শ মনে করা হলেও ধীরে ধীরে যেন ম্লান হতে চলেছে সেই সাফল্য। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ৭২৮ জন, যা এর আগের একদিনে সর্বাধিক আক্রান্তের রেকর্ডের প্রায় দ্বিগুণ।


সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার শনাক্ত হওয়া করোনা রোগীদের প্রায় ৯০ শতাংশই অভিবাসী ডরমিটরি সম্পর্কিত। গত ২৪ ঘণ্টায় এ ধরনের রোগী শনাক্ত হয়েছেন অন্তত ৬৫৪ জন।
গত বুধবার একদিনে সর্বোচ্চ ৪৪৭ জন রোগী শনাক্তের রেকর্ড গড়েছিল সিঙ্গাপুর। বৃহস্পতিবার সেই সংখ্যা থেকেও বহুদূর এগিয়ে গেছে তারা। দেশটিতে বর্তমানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪২৭ জন।
এদিন নতুন করে আর কেউ মারা যাননি। ফলে সেখানে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১০ জনই রয়েছে।
প্রায় ৬০ লাখ জনসংখ্যার ছোট্ট নগররাষ্ট্রটিতে শ্রমশক্তির এক-তৃতীয়াংশই অভিবাসী। এর মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ এশীয় দেশগুলোর কর্মীরা নিবন্ধিত ৪৩টি ডরমিটরিতে বসবাস করেন। সেখানে একেকটি রুমে গাদাগাদি করে থাকেন প্রায় ২০ জন করে। তাদের সবাই একই বাথরুম ও রান্নাঘর ব্যবহার করেন। এক কথায়, এ ধরনের জায়গায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা অসম্ভব। এ কারণে সেসব জায়গায় করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিও অত্যন্ত বেশি।
ইতোমধ্যেই সিঙ্গাপুরের নয়টি বেসরকারি ডরমিটরিতে ছড়িয়ে পড়েছে নভেল করোনাভাইরাস। আর এর জন্য কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না নেয়াকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশটিতে করোনা আক্রান্তদের প্রায় এক-চতুর্থাংশই এসব ডরমিটরির সঙ্গে সম্পর্কিত।
সূত্রঃ জাগোনিউজ২৪
দ্বিতীয় ধাপে ২৭৩ জনের শরীরে ভ্যাকসিন পরীক্ষা চালালো চীন

দ্বিতীয় ধাপে ২৭৩ জনের শরীরে ভ্যাকসিন পরীক্ষা চালালো চীন

বিশ্বের তাবড় বিজ্ঞানী বিনিদ্ররজনী কাটাচ্ছেন গবেষণাগারে। ভ্যাকসিনের সন্ধানে। শুধু করোনাকে কাহিলে ৭০টির বেশি ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ চলছে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাজারে করোনা ভ্যাকসিন চলে আসার সম্ভাবনাও রয়েছে। ভ্যাকসিন তৈরির এই লড়াইয়ে সামনের সারিতে থাকা চিন, আরও একধাপ এগিয়ে গেল।




এরই মধ্যে দ্বিতীয় বার মানবশরীরে পরীক্ষা চালাল। দ্বিতীয় ধাপে মোট ২৭৩ জনের উপর এই ভ্যাকসিন পরীক্ষা করা হয়েছে। চিনা বিজ্ঞানীরা স্থানীয় সময় সোমবার বিকেল ৫টায় ৫০০ স্বেচ্ছাসেবীর মধ্যে ২৭৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস ঠেকানোর এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করেছে।

এ ছাড়া করোনারই আরও দু'টি নতুন ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে চিনা মিডিয়া সূত্রে খবর। চিনের স্টেট কাউন্সিলের জয়েন্ট প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল ম্যাকানিজমের তরফে জানানো হয়, তারা বর্তমানে তিনটি ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল নিয়ে কাজ করছে।

প্রথম ভ্যাকসিনটির ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা চালানো হয় মার্চের শেষে। তখন সুরক্ষার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। ১২ এপ্রিল দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষায় ভ্যাকসিনের কার্যকারিতায় জোর দেওয়া হয়েছে। এই ধাপে ষাটোর্ধ্বদের উপর ভ্যাকসিনটির পরীক্ষা চালানো হচ্ছে বলে জানান চিনের শীর্ষস্থানীয় এপিডেমিয়োলজিস্ট এবং ভাইরোলজিস্ট চেন ওয়ে।
চেন ওয়ের দাবি, এই ভ্যাকসিনটি মানবদেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে সহায়তা করবে। করোনাভাইরাসের ভাইরাল অংশ এস জেনেটিক সিকুয়েন্সের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করবে ভ্যাকসিনটি। একবার ভাইরাস সংক্রমণ হলে, শরীর এই এস জিন এবং পুরো ভাইরাস শনাক্ত করে, প্রতিরোধ করবে।

অন্য দু'টি ভ্যাকসিন তৈরি করছে চিনা ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল গ্রুপের উহান ইনস্টিটিউট অফ বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টস ও বেজিং ভিত্তিক সিনোভাক বায়োটেক। এই দু'টি ভ্যাকসিন করোনার নিষ্ক্রিয় অণুজীব দিয়ে তৈরি বলে জানিয়েছে চিনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক।
সূত্রঃ এই সময়
গ্রেফতার হতে পারেন ফেরদৌস, ভিসা বাতিল

গ্রেফতার হতে পারেন ফেরদৌস, ভিসা বাতিল

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচারে গত রোববার অংশ নেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় নায়ক ফেরদৌস। 



আর এতেই ক্ষেপে যায় বিজেপি। ফলে তাকে ভিসার নিয়ম লঙ্ঘন করার অপরাধে গ্রেপ্তার করা উচিত বলে দাবি করে বিজেপি।

এদিকে মঙ্গলবার জানা যায়, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট ভাঙার অভিযোগে তার ভিসা বাতিল করা হয়েছে। তাকে দেশে ফিরে যেতে বলেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।

উল্লেখ, পশ্চিমবঙ্গের রায়গঞ্জে কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে একটি রোডশো করেন ফেরদৌস। সঙ্গে ছিলেন টলিউডের নায়ক অঙ্কুশ ও নায়িকা পায়েল। শুধু রোডশো করেননি, তৃণমূল প্রার্থী কানাইয়ালাকে ভোট দেওয়ার আহ্বানও জানান এই বাংলাদেশি তারকা।

সূত্রঃ গো নিউজ
ফেসবুকে বন্ধুত্ব করে দিনের পর দিন শিক্ষিকাকে ধর্ষণ

ফেসবুকে বন্ধুত্ব করে দিনের পর দিন শিক্ষিকাকে ধর্ষণ

ফেসবুক যেন দিন দিন মানুষকে হয়রানির মোক্ষম অস্ত্র হয়ে উঠছে। মাধ্যমটিতে যারা নানাভাবে লাঞ্চিত হন তাদের বেশিরভাগই নারী। সম্প্রতি ভারতে ঘটেছে এমন একটি ঘটনা। একজন প্রকৌশলী ফেসবুকে বন্ধুত্ব করেন এক শিক্ষিকার সঙ্গে। এই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেন।



তাদের দুজনের পরিচয় হয় ফেসবুকে। ফেসবুকের সেই সম্পর্ককে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়ে একদিন শিক্ষিকার সঙ্গে দেখা করতে চান অভিযুক্ত প্রকৌশলী। তারপর দেখা হলে শিক্ষিকাকে জোর করে একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে ধর্ষণ করেন।


এখানেই ঘটনার শেষ নয়। ধর্ষণ করার পর ভিডিওচিত্র ধারণ করে রাখেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। সেই ভিডিও ফাঁস করার ভয় দেখিয়ে দিনের পর দিন শিক্ষিকা ‘বান্ধবী’কে ব্ল্যাকমেইল করতেন। অবশেষে ধর্ষণের অভিযোগে ২৮ বছর বয়সী সেই প্রকৌশলী গ্রেফতার হয়েছেন।


ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে। দিল্লির পুলিশ কর্মকর্তা বিজয়ন্ত আর্য জানান, অভিযুক্ত ওই প্রকৌশলীর নাম কিষাণ। ধর্ষণের অভিযোগে তাকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ এবং ৬৭ ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে।


নির্যাতিত শিক্ষিকা পুলিশকে বলেছেন, ২০১৭ সালের অক্টোবরে কিষাণের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয়। তারপর থেকে দুজনের মধ্যে কথা চলতে থাকে। সেই ব্যক্তি একদিন দেখা করার নামে আদর্শ নগরের একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন তাকে।
শিক্ষিকা আরও জানান অভিযুক্ত প্রকৌশলী তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দেন। কিন্তু দিনের পর দিন বিয়ের তারিখ পেছাতেই থাকেন নানান অজুহাতে। তিনি একদিন জানতে পারেন, ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে আপলোড হয়েছে।


এটা জানার পর থেকেই তিনি ভিডিওগুলো মুছে ফেলার অনুরোধ করেন। কিন্তু তার অনুরোধ রাখেনি আভিযুক্ত ব্যক্তি। নিরুপায় ওই নারী পরে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। পুলিশ অভিযুক্তের ফোন তল্লাশি করে জানতে পারে ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ভিডিও আপলোড করেন অভিযুক্ত কিষাণ।
সূত্রঃ জুমবাংলা
নিউজিল্যান্ডে আজানের সময় যা করল অস্ট্রেলিয়া

নিউজিল্যান্ডে আজানের সময় যা করল অস্ট্রেলিয়া

আজানের ধ্বনিতে গতকাল মুখরিত হয়েছে নিউজিল্যান্ড। এ ছাড়া এক শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদীর হামলায় ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে অর্ধশত মুসল্লি নিহত হওয়ার এক সপ্তাহ পর আজ শুক্রবার দেশটিতে ২ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়েছে।



নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে নিউজিল্যান্ডের প্রতিবেশী দেশ অস্ট্রেলিয়া। খবর ডনের। ক্রাইস্টচার্চের আল নুর মসজিদের আজান নিউজিল্যান্ডে সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে সরাসরি প্রচার করা হয়।


দেশজুড়ে যখন আজানের ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল, প্রধানমন্ত্রী জাসিন্দা আরডানসহ আহত ব্যক্তিরা মসজিদের বিপরীত পাশের পার্কে দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন।
প্রতিবেশী দেশ অস্ট্রেলিয়ার জনগণও নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজানের সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে যান। অনেকে বাজারে কেনাকাটা করছিলেন। তারাও সে অবস্থাতেই দাঁড়িয়ে পড়েন। তারাও ২ মিনিট নীরবতা পালন করেন।


সাদা টুপি পরিহিত এক মুয়াজ্জিন দুপুর দেড়টায় আল্লাহু আকবার ধ্বনি তুলে আজান দেন। তখন কয়েক হাজার লোক ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি পার্কে ২ মিনিট নীরবতা পালন করেন।


ক্রাইস্টচার্চে হামলায় অর্ধশত মুসল্লি নিহত হওয়ার এক সপ্তাহ পার হয়ে গেছে। আজ শুক্রবার আল নুর মসজিদটি মেরামতের পর প্রথম জুমার নামাজ আদায় হয়েছে। এতে হাজার হাজার মুসল্লি অংশ নিয়েছেন।


প্রসঙ্গত গত শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে জুমার নামাজের সময় অস্ট্রেলীয় বংশোদ্ভূত ব্রেনটন টেরেন্ট নামে এক শেতাঙ্গ বন্দুক হামলা চালায়। -যুগান্তর

Wednesday, April 26, 2017

আজ ঢাকায় আসছেন ডেভিড ক্যামেরন

আজ ঢাকায় আসছেন ডেভিড ক্যামেরন

একদিনের ব্যক্তিগত সফরে আজ ঢাকায় আসছেন সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। সংক্ষিপ্ত এ সফরে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ক্যামেরন যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল গ্রোথ সেন্টার (আইজিসি) আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেবেন।
এ ছাড়া ক্যামেরন ডিএফআইডির অর্থায়নে একটি প্রকল্প এবং একটি তৈরি পোশাক কারখানা পরিদর্শন করবেন।
ক্যামেরন ফ্রাগলিটি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং ইন্টারন্যাশনাল গ্রোথ সেন্টার (আইজিসি) এরই একটি কার্যক্রম।

Sunday, June 12, 2016

জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে বেশ এগিয়ে হিলারি

জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে বেশ এগিয়ে হিলারি

শুক্রবার প্রকাশিত বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও জরিপ সংস্থা ইপসোস প্রকাশিত জরিপের ফলাফলে ট্রাম্পের চেয়ে ১১ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন হিলারি।  সোমাবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে জরিপটি চালানো হয়। এতে দেখা যায়, ৪৬ শতাংশ সম্ভাব্য ভোটার হিলারির পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন, অপরদিকে ট্রাম্পের পক্ষে ছিলেন ৩৪ দশমিক ৮ শতাংশ সম্ভাব্য ভোটার।  ১৯ দশমিক ২ শতাংশ ভোটার দুজনের কাউকেই সমর্থন জানাননি। ১,২৭৬ জনের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে জরিপটি করা হয়।

চলতি বছরের ৮ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এই নির্বাচনে জুলাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনের মাধ্যমে নিজ নিজ দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল।  এক সপ্তাহ আগে করা রয়টার্স/ইপসোসের পূববর্তী জরিপেও প্রায় একই ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন হিলারি। তিনি ইতোমধ্যেই নিজ দলীয় প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ২৩৮৩টি ডেলিগেট ভোট জয় করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।

জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে বেশ এগিয়ে হিলারি


তার আগে যুক্তরাষ্ট্রের ২২৭ বছরের ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট পদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এতদূর আসতে পারেননি কোনো নারী।

আর নভেম্বরের নির্বাচনে তিনি জয়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে নতুন পর্ব যোগ হবে। দেশটি প্রথম নারী প্রেসিডেন্টের মুখ দেখবে।

এর আগে ২০০৮ সালে দেশটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডেমক্রেটিক পার্টির বারাক ওবামা।

গেল মাসে জনপ্রিয়তা জরিপে ৬৯ বছর বয়সী ট্রাম্প কিছু সময়ের জন্য ৬৮ বছর বয়সী হিলারিকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু একজন মেক্সিকান-আমেরিকান বিচারকের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

বিরোধী ডেমক্রেটিক শিবির ছাড়াও নিজ দলের নেতাদের সমালোচনাও শুনতে হয়েছে ট্রাম্পকে।
নিজের নামে তথাকথিত ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের’ নাম ভাঙিয়ে ব্যবসা করার জন্যও সমালোচিত হচ্ছেন তিনি। নামে ‘বিশ্ববিদ্যালয়’ কিন্তু কাজে শুধু ব্যবসা হওয়ায় ওই প্রকল্প নিয়েও চাপে আছেন তিনি। এতে তার জনপ্রিয়তার পারদ কিছুটা নিম্নমুখী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে রিপাবলিকান দলীয় শেষ প্রাইমারিগুলোতে তার পক্ষে দলীয় সমর্থকদের ব্যাপক সমর্থন লক্ষ্য করা গেছে।
আইএসের ঘাঁটি সির্তে পুনরুদ্ধারের দাবি লিবীয় বাহিনীর

আইএসের ঘাঁটি সির্তে পুনরুদ্ধারের দাবি লিবীয় বাহিনীর

উত্তর আফ্রিকায় আইএসের এই শক্তিকেন্দ্রটিতে শুক্রবার আরো সফলতা পাওয়ার পর সরকারি বাহিনী শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা জানায়। প্রধানত মিসরাতার যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত সরকারি বাহিনীর ব্রিগেডগুলো গেল মাসে আইএসের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালানো শুরু করে। চলতি সপ্তাহে তারা সির্তের কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি পৌঁছে। বাহিনীটির অগ্রগতির কারণে আইএসের যোদ্ধারা সির্তে-মিসরাতার মধ্যবর্তী উপকূলীয় সড়কটি থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়।

অভিযানটির মিসরাতার নিয়ন্ত্রণকক্ষের একটি সূত্র জানিয়েছে, শহরটির দক্ষিণ দিকে থাকা সরকারি বাহিনীর যোদ্ধারা শহরটিকে ঘিরে ফেলে বন্দর পুনরুদ্ধারের উদ্দেশে সাগরতীরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে বন্দরটি পাঁচ কিলোমিটার পূর্বে। আত্মঘাতী বোমা হামলা, মাইন ও দূরলক্ষ্যভেদীদের গুলির মুখেও সরকারি ব্রিগেডগুলোর অগ্রগতি অনেকের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

আইএসের ঘাঁটি সির্তে পুনরুদ্ধারের দাবি লিবীয় বাহিনীর

শহরটিতে শুক্রবারের লড়াইয়ে ১১ জন ব্রিগেড সদস্য নিহত ও ৩৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রণকক্ষের সূত্রটি। লিবিয়ার বিভক্ত হয়ে পড়া সরকার সম্প্রতি জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ফের একত্রিত হতে সম্মত হয়। জাতীয় সমঝোতার এই সরকার বা গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল অ্যাকর্ড (জিএনএ) মার্চে রাজধানী ত্রিপোলিতে ফিরে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় মনোনিবেশ করে।

মে’র প্রথমদিক থেকে সির্তে পুনরুদ্ধারে অভিযান শুরু করে জিএনএ সমর্থিত ব্রিগেডগুলো। এই অভিযানে এ পর্যন্ত জিএনএ সমর্থিত ব্রিগেডগুলোর একশরও বেশি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন পাঁচশরও বেশি।

লিবিয়ার অস্থিতিশীলতার সুযোগে ২০১৪ সালে দেশটিতে প্রভাব বিস্তার করে আইএস। এরপর থেকে দেশটিতে সংঘাতের মাত্রা বেড়ে যায়।

গেল বছর সির্তের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় আইএস। কিন্তু দেশটির অন্যান্য জায়গায় নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকা ধরে রাখতে সংগ্রাম করতে হচ্ছে জঙ্গিগোষ্ঠীটিকে। সির্তে ছাড়া লিবিয়ার অন্য কোথাও কোনো ধরনের সমর্থনও পায়নি গোষ্ঠীটি।

মিসরাতার ব্রিগেডগুলো পশ্চিম দিক থেকে যখন সির্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, ওই সময় লিবিয়ার প্রধান তেল টার্মিনালগুলোর নিয়ন্ত্রণে থাকা পৃথক একটি বাহিনী আইএসের বিরুদ্ধে পূর্ব দিক থেকেও চাপ বাড়াতে শুরু করে।

জিএনএ সরকারের অনুগত এই বাহিনীটি বৃহস্পতিবার সির্তের ৭০ কিলোমিটার পূর্বের শহর হারবায় পৌঁছেছে।

লিবিয়ার রাজনৈতিক ও সশস্ত্র উপদলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে আইএসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলাকেই সেরা উপায় বলে বিবেচনা করছে পশ্চিমা শক্তিগুলো। এর মাধ্যমে উত্তর আফ্রিকার তেল সমৃদ্ধ দেশটিতে কিছুটা স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাও দেখছে তারা।
নতুন তালেবান নেতার প্রতি আল কায়দার আনুগত্য

নতুন তালেবান নেতার প্রতি আল কায়দার আনুগত্য

অনলাইনে পোস্ট করা একটি অডিও বার্তায় আল কায়দা প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরি বলেন, “জিহাদের জন্য সংগঠিত হওয়া আল কায়দার নেতা হিসেবে আমি আরো একবার (আফগান তালেবানদের নেতার প্রতি) আমার আনুগত্য প্রকাশ করছি।” “ওসামার দেখানো পথে আমি ইসলামিক আমিরাতকে সমর্থনের জন্য মুসলিম জাহানকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।” শনিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে ওই অডিওর খবর প্রকাশ করা হয়।

যদিও রয়টার্সের পক্ষ থেকে ১৪ মিনিটের ওই অডিও বার্তাটির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ছিল তালেবানরা। পরে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বাহিনী তাদের ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী ২০১১ সালে পাকিস্তানে আত্মগোপনে থাকা আল কায়দার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করে।

নতুন তালেবান নেতার প্রতি আল কায়দার আনুগত্য

তারপর জঙ্গি দলটির নেতা নির্বাচিত হন জাওয়াহিরি। তিনি আফগান-পাকিস্তান সীমান্তে লুকিয়ে আছেন বলে ধারণা করা হয়। গত মাসে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় সাবেক আফগান তালেবান প্রধান মোল্লা আখতার মনসুর নিহত হন।

মনসুর নিহত হওয়ার চারদিন পর আখুন্দজাদাকে গোষ্ঠীটির প্রধান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পঞ্চাশোর্ধ আখুন্দজাদা মনসুরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও তার দুই উপপ্রধানের একজন ছিলেন।

আফগানিস্তানে তালেবানের পাঁচ বছরব্যাপী শাসনকালে আখুন্দজাদা দেশটির একজন জ্যেষ্ঠ বিচারক ছিলেন। ওই সময় তালেবানের দেওয়া অনেকগুলো কঠোর ফতোয়া তার তরফ থেকেই এসেছিল বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

তালেবানের সাবেক প্রধানদের মতো আখুন্দজাদাও আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ কান্দাহার থেকেই এসেছেন।

মোল্লা মনসুর ও তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরও কান্দাহারেই লোক ছিলেন। ওমর ২০১৩ সালে অসুখে ভুগে মারা যান।

তালেবান বিশেষজ্ঞ রহিমুল্লাহ ইউসুফজাইয়ের তথ্যানুযায়ী, ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানে সোভিয়েত দখলদারিত্বের সময় আখুন্দজাদা পাকিস্তানে চলে গিয়েছিলেন। তিনি ওমর ও মনসুরের মতো যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত আফগান মুজাহিদের হয়ে লড়াই করে ‘নাম’ করেননি।

Sunday, September 20, 2015

বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনী দেশের তালিকা প্রকাশ

বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনী দেশের তালিকা প্রকাশ

জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ফোর্বস সম্প্রতি বিশ্বের ১০টি শীর্ষ ধনী দেশের তালিকা প্রকাশ করেছেন। মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে তৈরি এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার। আর সবার শেষে রয়েছে নেদারল্যান্ড।জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ফোর্বস সম্প্রতি বিশ্বের ১০টি শীর্ষ ধনী দেশের তালিকা প্রকাশ করেছেন। মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে তৈরি এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার। আর সবার শেষে রয়েছে নেদারল্যান্ড।জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ফোর্বস সম্প্রতি বিশ্বের ১০টি শীর্ষ ধনী দেশের তালিকা প্রকাশ করেছেন। মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে তৈরি এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার। আর সবার শেষে রয়েছে নেদারল্যান্ড।





১. কাতার: জনসংখ্যা ২০ লক্ষের সামান্য বেশি। এই দেশটিই বর্তমানে পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে ধনী। কাতারের মাথাপিছু আয় প্রায় ৭২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। মধ্যপ্রাচ্যের উপদ্বীপ কাতারের অর্থনীতি জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরশীল। দেশটির রপ্তানি থেকে আয়ের ৮৫ শতাংশই আসে পেট্রোলিয়াম রপ্তানি করে।

২. লুক্সেমবার্গ: ইউরোপের সবচেয়ে উন্নত দেশগুলোর অন্যতম লুক্সেমবার্গকে বলা হয় ‘tax heaven’ বা ‘করের স্বর্গ’। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ধনকুবের ব্যবসায়ীরা নিজ দেশের উচ্চ কর হার এড়াতে তাই বসবাসের জন্য বেছে নেন লুক্সেমবার্গকে। দেশটির বর্তমান মাথাপিছু আয় প্রায় ৬৭ লাখ টাকা।

৩. সিঙ্গাপুর: ৬৩টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত দ্বীপরাষ্ট্র সিঙ্গাপুরের জনসংখ্যা মাত্র ৫৫ লাখ আর মাথাপিছু আয় ৪৬ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। এশিয়ার দেশগুলোর পারস্পরিক ব্যবসা-বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে সিঙ্গাপুর। তেমন কোন প্রাকৃতিক সম্পদ না থাকলেও ব্যবসা-বাণিজ্য করেই বর্তমানে এই অবস্থানে এসেছে দেশটি।

৪. নরওয়ে: মাত্র ৫০ লাখ জনসংখ্যার নরওয়ের আয়ের অন্যতম উৎস প্রাকৃতিক গ্যাস ও বিশাল তেল ভাণ্ডার। বিশ্বব্যাপী টেলিযোগাযোগ ব্যবসাতেও নরওয়ে বেশ সফল। বিপুল প্রাচুর্যের পাশাপাশি বসবাসের জন্য সারা বিশ্বে সবচেয়ে নিরাপদ দেশ হিসেবে পরিচিত নরওয়ে। দেশটির মাথাপিছু আয় ৪২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা।




৫. ব্রুনেই: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম ধনী দেশ ব্রুনেইয়ের মাথাপিছু বার্ষিক আয় প্রায় ৩৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস দেশটির আয়ের প্রধান উৎস। দেশটির জিডিপির ৯০ শতাংশের জোগান দেয় পেট্রোলিয়াম রপ্তানি করে। পাঁচ লাখের কম জনসংখ্যার দেশটি বিশ্বে সবচেয়ে কম জনবহুল দেশগুলোর একটি।

৬. সংযুক্ত আরব আমিরাত: সাতটি স্বাধীন প্রদেশের সমন্বয়ে গঠিত বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির বার্ষিক মাথাপিছু আয় প্রায় ৩৯ লাখ টাকা। প্রাকৃতিক গ্যাস, জ্বালানি তেল ও খেজুরের মতো প্রচলিত পণ্য রপ্তানির পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণেও ভালো অবস্থানে আছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

৭. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: প্রাকৃতিক ও রাজনৈতিক নানা কারণে অর্থনীতি এখন কিছুটা বিপর্যস্ত হলে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির আয়ের সিংহভাগ আসে উচ্চ প্রযুক্তি, অস্ত্র রপ্তানি থেকে। দেশটির মাথাপিছু আয় ৩৮ লাখ ৫৭ হাজার টাকা।

৮. হংকং: এশিয়াসহ সারা বিশ্বের বিনিয়োগকারীদের কাছেই পছন্দের দেশ হংকং। এশিয়ার অন্যতম ব্যয়বহুল দেশ হংকংয়ের মাথাপিছু আয় ৩৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা।

৯. সুইজারল্যান্ড: ইউরোপের অন্যতম ধনী দেশ সুইজারল্যান্ডের আয়ের উৎস বৈচিত্র্যপূর্ণ। দেশটির বর্তমান মাথাপিছু আয় প্রায় ৩৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। কৃষি, পর্যটন, ব্যাংকিং, ঘড়ি, চকলেট—আয়ের উৎসের অভাব নেই সুইজারল্যান্ডের। সারা বিশ্বের ধনীদের টাকা জমানোর জন্য সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত দেশ হলো সুইজারল্যান্ড।

১০. নেদারল্যান্ড: প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ এই দেশটি প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি করে তার আয়ের সিংহভাগ উপার্জন করে। নেদারল্যান্ডের মাথাপিছু আয় প্রায় ৩৩ লাখ ৭২ হাজার টাকা।
তেত্রিশেই চলে গেলেন দুবাইয়ের শাসকপুত্র

তেত্রিশেই চলে গেলেন দুবাইয়ের শাসকপুত্র

মাত্র ৩৩ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন দুবাইয়ের শাসক শেখ মহম্মদ বিন রশিদ আল মকতউনের ছেলে শেখ রশিদ বিন মহম্মদ বিন রশিদ আল মকতউন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সরকারি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শনিবার সকালে হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।দুবাইয়ের শাসক শেখ মহম্মদ বিন রশিদ আল মকতউনের প্রথম স্ত্রী শেখ হিন্দ বিন্ত মকতউন বিন জুমা আল মকতউনের বড় ছেলে ছিলেন শেখ রশিদ।। তিনি দুর্দান্ত স্পোর্টসম্যানের পাশাপাশি ঘোড়দৌড়ের শৌখিন ছিলেন।

তেত্রিশেই চলে গেলেন দুবাইয়ের শাসকপুত্র


দুবাইয়ের শাসক শেখ মহম্মদ বিন রশিদ আল মকতউনের প্রথম স্ত্রী শেখ হিন্দ বিন্ত মকতউন বিন জুমা আল মকতউনের বড় ছেলে ছিলেন শেখ রশিদ।। তিনি দুর্দান্ত স্পোর্টসম্যানের পাশাপাশি ঘোড়দৌড়ের শৌখিন ছিলেন। শাসকের ছেলের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা দুবাই। আপাতত শেখ রশিদের মরদেহ দুবাইয়ের জাবিল মসজিদে রাখা হয়েছে। মসজিদে ধর্মীয় আচার শেষে রবিবার তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। শেখ রশিদের মৃত্যুতে তিনদিন রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে দুবাই সরকার। এই তিন দিন দেশের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।

দুবাইয়ের শাসক শেখ মহম্মদ বিন রশিদ আল মকতউনের প্রথম স্ত্রী শেখ হিন্দ বিন্ত মকতউন বিন জুমা আল মকতউনের বড় ছেলে ছিলেন শেখ রশিদ।। তিনি দুর্দান্ত স্পোর্টসম্যানের পাশাপাশি ঘোড়দৌড়ের শৌখিন ছিলেন। শাসকের ছেলের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা দুবাই। আপাতত শেখ রশিদের মরদেহ দুবাইয়ের জাবিল মসজিদে রাখা হয়েছে। মসজিদে ধর্মীয় আচার শেষে রবিবার তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। শেখ রশিদের মৃত্যুতে তিনদিন রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে দুবাই সরকার। এই তিন দিন দেশের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।

দুবাইয়ের শাসক শেখ মহম্মদ বিন রশিদ আল মকতউনের প্রথম স্ত্রী শেখ হিন্দ বিন্ত মকতউন বিন জুমা আল মকতউনের বড় ছেলে ছিলেন শেখ রশিদ।। তিনি দুর্দান্ত স্পোর্টসম্যানের পাশাপাশি ঘোড়দৌড়ের শৌখিন ছিলেন। শাসকের ছেলের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা দুবাই। আপাতত শেখ রশিদের মরদেহ দুবাইয়ের জাবিল মসজিদে রাখা হয়েছে। মসজিদে ধর্মীয় আচার শেষে রবিবার তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। শেখ রশিদের মৃত্যুতে তিনদিন রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে দুবাই সরকার। এই তিন দিন দেশের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।

দুবাইয়ের শাসক শেখ মহম্মদ বিন রশিদ আল মকতউনের প্রথম স্ত্রী শেখ হিন্দ বিন্ত মকতউন বিন জুমা আল মকতউনের বড় ছেলে ছিলেন শেখ রশিদ।। তিনি দুর্দান্ত স্পোর্টসম্যানের পাশাপাশি ঘোড়দৌড়ের শৌখিন ছিলেন। শাসকের ছেলের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা দুবাই। আপাতত শেখ রশিদের মরদেহ দুবাইয়ের জাবিল মসজিদে রাখা হয়েছে। মসজিদে ধর্মীয় আচার শেষে রবিবার তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। শেখ রশিদের মৃত্যুতে তিনদিন রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে দুবাই সরকার। এই তিন দিন দেশের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।

দুবাইয়ের শাসক শেখ মহম্মদ বিন রশিদ আল মকতউনের প্রথম স্ত্রী শেখ হিন্দ বিন্ত মকতউন বিন জুমা আল মকতউনের বড় ছেলে ছিলেন শেখ রশিদ।। তিনি দুর্দান্ত স্পোর্টসম্যানের পাশাপাশি ঘোড়দৌড়ের শৌখিন ছিলেন। শাসকের ছেলের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা দুবাই। আপাতত শেখ রশিদের মরদেহ দুবাইয়ের জাবিল মসজিদে রাখা হয়েছে। মসজিদে ধর্মীয় আচার শেষে রবিবার তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। শেখ রশিদের মৃত্যুতে তিনদিন রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে দুবাই সরকার। এই তিন দিন দেশের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।
গাজার সীমান্তে সুরঙ্গে পানি ঢালছে মিশর

গাজার সীমান্তে সুরঙ্গে পানি ঢালছে মিশর

মিশরের সেনাবাহিনী গাজার সীমান্তে সুরঙ্গ গুলো দিয়ে যাতে কোন জঙ্গি বা চোরাকারবারি প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য পানি ঢেলে সেগুলো বন্ধ করে দিচ্ছে। সুরঙ্গগুলো বন্ধ করার জন্য মিশরের এটাই সাম্প্রতিক পদক্ষেপ। জঙ্গি দমনের অংশ হিসেবেই তারা এই কাজটি করছে। এক সপ্তাহ ধরে সুরঙ্গগুলোতে আরো বিস্তর এলাকা জুরে খননের কাজ চলছে। মিশরের কর্তৃপক্ষ বলছে সেখানে তারা মাছের খামার করবে। এ কাজের জন্য সীমান্ত অঞ্চলে কয়েকশ বাড়িঘর ভেঙ্গে ফেলেছে এবং সেখান থেকে মানুষজনকে সরিয়ে এনেছে সেনাবাহিনী।


গাজার সীমান্তে সুরঙ্গে পানি ঢালছে মিশর


এর আগে শত শত সুরঙ্গ যেগুলো ছিল সেগুলো ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে। কিন্তু এরপরেই অনেক গুলো দিয়ে যাতায়াত করা হচ্ছিল এবং অন্য গুলোও পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে। এই সুরঙ্গ যেটা সিনাই উপত্যকায় রয়েছে সেটা গাজার অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। ২০০৭ সালে মিশর ও ইসরায়েল ঐ এলাকার ওপর অবরোধ আরোপ করে। এদিকে হামাস অভিযোগ করছে মিশর ইসরায়েলের সাথে হাত মিলিয়ে গাজাকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে। ২০১৩ সালে মিশরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে উৎখাতের পর বিশেষ করে সিনাই উপত্যকায় অসংখ্য মিশরিয় সৈন্য এ বেসামরিক মানুষ সংঘর্ষে মারা গেছে। সুত্রঃবিবিসি বাংলা

এর আগে শত শত সুরঙ্গ যেগুলো ছিল সেগুলো ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে। কিন্তু এরপরেই অনেক গুলো দিয়ে যাতায়াত করা হচ্ছিল এবং অন্য গুলোও পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে। এই সুরঙ্গ যেটা সিনাই উপত্যকায় রয়েছে সেটা গাজার অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। ২০০৭ সালে মিশর ও ইসরায়েল ঐ এলাকার ওপর অবরোধ আরোপ করে। এদিকে হামাস অভিযোগ করছে মিশর ইসরায়েলের সাথে হাত মিলিয়ে গাজাকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে। ২০১৩ সালে মিশরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে উৎখাতের পর বিশেষ করে সিনাই উপত্যকায় অসংখ্য মিশরিয় সৈন্য এ বেসামরিক মানুষ সংঘর্ষে মারা গেছে। সুত্রঃবিবিসি বাংলা

এর আগে শত শত সুরঙ্গ যেগুলো ছিল সেগুলো ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে। কিন্তু এরপরেই অনেক গুলো দিয়ে যাতায়াত করা হচ্ছিল এবং অন্য গুলোও পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে। এই সুরঙ্গ যেটা সিনাই উপত্যকায় রয়েছে সেটা গাজার অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। ২০০৭ সালে মিশর ও ইসরায়েল ঐ এলাকার ওপর অবরোধ আরোপ করে। এদিকে হামাস অভিযোগ করছে মিশর ইসরায়েলের সাথে হাত মিলিয়ে গাজাকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে। ২০১৩ সালে মিশরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে উৎখাতের পর বিশেষ করে সিনাই উপত্যকায় অসংখ্য মিশরিয় সৈন্য এ বেসামরিক মানুষ সংঘর্ষে মারা গেছে। সুত্রঃবিবিসি বাংলা

এর আগে শত শত সুরঙ্গ যেগুলো ছিল সেগুলো ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে। কিন্তু এরপরেই অনেক গুলো দিয়ে যাতায়াত করা হচ্ছিল এবং অন্য গুলোও পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে। এই সুরঙ্গ যেটা সিনাই উপত্যকায় রয়েছে সেটা গাজার অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। ২০০৭ সালে মিশর ও ইসরায়েল ঐ এলাকার ওপর অবরোধ আরোপ করে। এদিকে হামাস অভিযোগ করছে মিশর ইসরায়েলের সাথে হাত মিলিয়ে গাজাকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে। ২০১৩ সালে মিশরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে উৎখাতের পর বিশেষ করে সিনাই উপত্যকায় অসংখ্য মিশরিয় সৈন্য এ বেসামরিক মানুষ সংঘর্ষে মারা গেছে। সুত্রঃবিবিসি বাংলা
মালিতে জঙ্গি হামলায় ৪ জন নিহত

মালিতে জঙ্গি হামলায় ৪ জন নিহত

মালির মধ্যাঞ্চলে বুরকিনা ফাসো সীমান্তে শনিবার এক বন্দুক হামলায় দুই পুলিশ ও দুই বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে। এই হামলার জন্য জিহাদিদের দায়ী করা হচ্ছে। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা একথা জানান। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রাদেশিক পুলিশ বলেন, বুরকিনাবে সীমান্ত থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার (৩ মাইল) দূরে অবস্থিত বিহ গ্রামে সশস্ত্র ইসলামপন্থীরা এদের হত্যা করেছে। তিনি আরও বলেন, বন্দুকধারীরা মোটরসাইকেলে করে এ হামলা চালায়।খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। মালির নিরাপত্তা বাহিনী জানায়, এই হামলায় ঘটনাস্থলে এক পুলিশ ও এক বেসামরিক লোক নিহত হয়।

মালিতে জঙ্গি হামলায় ৪ জন নিহত


অপর দুই জন গুরুতর আহত হয়ে কিছুক্ষণ পরই মারা যায়। সূত্রটি আরও জানায়, হামলাকারীরা নতুন সংগঠন ম্যাসিনা লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএম)-এর সদস্য। চলতি মাসের গোড়ার দিতে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। ইতোমধ্যে সংগঠনটি বেশ কয়েকটি হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। এই হামলাগুলোর কয়েকটি মালির মধ্যাঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে চালানো হয়।

অপর দুই জন গুরুতর আহত হয়ে কিছুক্ষণ পরই মারা যায়। সূত্রটি আরও জানায়, হামলাকারীরা নতুন সংগঠন ম্যাসিনা লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএম)-এর সদস্য। চলতি মাসের গোড়ার দিতে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। ইতোমধ্যে সংগঠনটি বেশ কয়েকটি হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। এই হামলাগুলোর কয়েকটি মালির মধ্যাঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে চালানো হয়।

অপর দুই জন গুরুতর আহত হয়ে কিছুক্ষণ পরই মারা যায়। সূত্রটি আরও জানায়, হামলাকারীরা নতুন সংগঠন ম্যাসিনা লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএম)-এর সদস্য। চলতি মাসের গোড়ার দিতে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। ইতোমধ্যে সংগঠনটি বেশ কয়েকটি হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। এই হামলাগুলোর কয়েকটি মালির মধ্যাঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে চালানো হয়।

অপর দুই জন গুরুতর আহত হয়ে কিছুক্ষণ পরই মারা যায়। সূত্রটি আরও জানায়, হামলাকারীরা নতুন সংগঠন ম্যাসিনা লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএম)-এর সদস্য। চলতি মাসের গোড়ার দিতে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। ইতোমধ্যে সংগঠনটি বেশ কয়েকটি হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। এই হামলাগুলোর কয়েকটি মালির মধ্যাঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে চালানো হয়।

অপর দুই জন গুরুতর আহত হয়ে কিছুক্ষণ পরই মারা যায়। সূত্রটি আরও জানায়, হামলাকারীরা নতুন সংগঠন ম্যাসিনা লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএম)-এর সদস্য। চলতি মাসের গোড়ার দিতে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। ইতোমধ্যে সংগঠনটি বেশ কয়েকটি হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। এই হামলাগুলোর কয়েকটি মালির মধ্যাঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে চালানো হয়।

অপর দুই জন গুরুতর আহত হয়ে কিছুক্ষণ পরই মারা যায়। সূত্রটি আরও জানায়, হামলাকারীরা নতুন সংগঠন ম্যাসিনা লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএম)-এর সদস্য। চলতি মাসের গোড়ার দিতে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। ইতোমধ্যে সংগঠনটি বেশ কয়েকটি হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। এই হামলাগুলোর কয়েকটি মালির মধ্যাঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে চালানো হয়।

অপর দুই জন গুরুতর আহত হয়ে কিছুক্ষণ পরই মারা যায়। সূত্রটি আরও জানায়, হামলাকারীরা নতুন সংগঠন ম্যাসিনা লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএম)-এর সদস্য। চলতি মাসের গোড়ার দিতে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। ইতোমধ্যে সংগঠনটি বেশ কয়েকটি হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। এই হামলাগুলোর কয়েকটি মালির মধ্যাঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে চালানো হয়।

চারবারের চেষ্টায় যৌনপল্লি থেকে পালালো তরুণী

চারবারের চেষ্টায় যৌনপল্লি থেকে পালালো তরুণী

এর আগে তিনবার পালাতে গিয়ে ধরা পড়েছেন। বেদম মারও জুটেছে কপালে। শরীর থেকে সে চিহ্ন এখনো মুছে যায়নি। তবে হাল ছেড়ে দেয়নি। চতুর্থবারের চেষ্টায় ঠিকই যৌনপল্লির চৌকাঠ মাড়িয়ে পালিয়ে গেল তরুণী। ঘটনাটি ভারতের। মেয়েটি যখন পালিয়ে গেল তখনও সূর্যের আলো ফোটেনি। ছোট ঘরটির ভিতর তো পুরোই অন্ধকার। বিছানায় পাশে নিঃসাড়ে ঘুমোচ্ছেন এক প্রবীণা। কিন্তু সামান্য নড়াচড়াতেও তাঁর ঘুম ভেঙে যেতে পারে। তাই উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের ওই তরুণী শুক্রবার কাক ডাকা ভোরে দিনহাটার যৌনপল্লিতে বিছানা ছাড়েন অতি সন্তর্পণে।



এর আগে তিনবার পালাতে গিয়ে ধরা পড়েছেন। বেদম মারও জুটেছে কপালে। শরীর থেকে সে চিহ্ন এখনো মুছে যায়নি। তবে হাল ছেড়ে দেয়নি। চতুর্থবারের চেষ্টায় ঠিকই যৌনপল্লির চৌকাঠ মাড়িয়ে পালিয়ে গেল তরুণী। ঘটনাটি ভারতের।

মেয়েটি যখন পালিয়ে গেল তখনও সূর্যের আলো ফোটেনি। ছোট ঘরটির ভিতর তো পুরোই অন্ধকার। বিছানায় পাশে নিঃসাড়ে ঘুমোচ্ছেন এক প্রবীণা। কিন্তু সামান্য নড়াচড়াতেও তাঁর ঘুম ভেঙে যেতে পারে। তাই উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের ওই তরুণী শুক্রবার কাক ডাকা ভোরে দিনহাটার যৌনপল্লিতে বিছানা ছাড়েন অতি সন্তর্পণে।


আগে তিন বার ধরা পড়েছেন। আর ধরা পড়তে চান না। তাই দরজা খোলার আগে ভাল করে দেখে নেন ওই প্রবীণাকে। এই মহিলাকে রাখাই হয়েছে তাঁকে চোখে চোখে রাখার জন্য। কিন্তু তিনি নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছেন দেখে আর পালানোর সুযোগ ছাড়েননি ওই তরুণী। সামান্য যেটুকু টাকাপয়সা ঘরে রয়েছে, তা নেওয়ার চেষ্টাও করেননি। সাবধানে কাঠের দরজার ছিটকিনি খুলে একরকম নিঃশব্দে পাল্লা দু’টো সামান্য ফাঁক করে বাইরে বেরিয়ে পড়েন। চটি জোড়া ছিল হাতে। পাশে সার সার এমনই ছোট ছোট ঘর। সামনে তালা লাগানো লোহার গেট। সাড়ে চার ফুটের মতো উঁচু। পা টিপে টিপে সেই গেটের কাছে গিয়ে দেখলেন, সরু গলির উল্টো দিকের বাড়ির দরজা জানালাগুলোও বন্ধ। আর দেরি করেননি। গেটটি শক্ত করে ধরে তা বেয়ে উঠে যান। গেট পেরিয়েই গলির রাস্তা। পা টিপে টিপেই সেই গলি পার হয়ে বড় রাস্তায় পৌঁছে হাঁফ ছাড়েন তিনি। কিন্তু কোন দিকে যাবেন জানতেন না। এ বার চটি পরে বাঁ দিকে দৌঁড়াতে শুরু করেন। তারপরে হনহন করে হাঁটা। প্রায় ত্রিশ মিনিট পরে লোকালয় পেয়ে সেখানেই বসে পড়েন। তখন বেশ আলোও ফুটে গেছে। জানতেন না, সেটাই দিনহাটার কলেজ হল্ট। লোকজন এগিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করতেই ভেঙে পড়েন কান্নায়।




তখন জানা যায়, বসিরহাটের ওই তরুণী খুবই গরিব ঘরের মেয়ে। বাবা দিনমজুর। তাই নিজেই কিছু রোজগারের চেষ্টা করছিলেন ওই তরুণী। তাতেই তাঁর সঙ্গে অাগস্টের শেষের দিকে কালু শেখ নামে এক ব্যক্তির যোগাযোগ হয়। কালু তাঁকে মুর্শিদাবাদের ফারাক্কায় কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেয়। ১ সেপ্টেম্বর কালুর সঙ্গেই ওই তরুণী শিয়ালদহে পৌঁছেন। কিন্তু সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে চলে যাওয়া হয় সোজা কোচবিহার। ঠাঁই হয় দিনহাটার যৌনকর্মীদের পল্লিতে। স্থানীয় বাসিন্দারা নারী পাঁচার রুখতে সক্রিয় একটি সংগঠনের কর্মী এলাকার বাসিন্দা জ্যোৎস্না বর্মনকে খবর দেন। জ্যোৎস্নাদেবী তাঁদের সংগঠনের আর এক সদস্য নবনীতা চক্রবর্তীকে খবর দেন। এরপরে তাঁরাই ওই তরুণীকে পুলিশের কাছে নিয়ে যান। পুলিশ সূত্রের খবর, ওই তরুণীর হাতে, পিঠে লাঠির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ভয়ে তিনি এতটাই সিঁটিয়ে রয়েছেন যে, ভাল করে কিছু বলে উঠতে পারছে না। কিছু জিজ্ঞেস করলেই শিউরে উঠে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করছেন। পুলিশের সন্দেহ, বিক্রি করে দিতেই দুষ্কৃতীরা ওই তরুণীকে যৌনপল্লিতে নিয়ে যায়। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। কোচবিহারের পুলিশ সুপার রাজেশ যাদব বলেন, ”ঘটনার তদন্ত চলছে।”

ওই তরুণী বলেন, ”ভেবেছিলাম জীবনটা শেষ হয়ে গেল। কোনও রকমে পালিয়েছি। এখন বাবা-মায়ের কাছে ফিরতে চাই।”

মেয়েটির বাবা-মা’কে পুলিশ খবরও দিয়েছে। নবনীতা দেবী বলেন, ”দিন-রাত ওই কিশোরীর সঙ্গে অমানুষিক অত্যাচার করা হয়েছে। একাধিক দুষ্কৃতী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে মনে হচ্ছে।” স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনই দেশের কোন না কোন তরুণী, কিশোরী এভাবে যৌনপল্লিতে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। অন্ধকার কুঠুরিতে গিয়ে নিভে যাচ্ছে একটি জীবন প্রদীপ। এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, তা প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে।