Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts
Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts

Friday, April 24, 2020

করোনাভাইরাস সংক্রমণে হঠাৎ স্ট্রোকের ঝুঁকিতে তরুণরা

করোনাভাইরাস সংক্রমণে হঠাৎ স্ট্রোকের ঝুঁকিতে তরুণরা

নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে সৃষ্ট বিশ্বমহামারি কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার পর তরুণদের অনেকেরই হঠাৎ স্ট্রোকের ঘটনা ঘটছে। তাদের কারোরই আগে অসুস্থতার ইতিহাস ছিল না। মার্কিন চিকিৎসকদের প্রতিবেদনের বরাতে এ খবর জানিয়েছে সিএনএন।


যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে চিকিৎসকদের কয়েকজন জানিয়েছেন, নভেল করোনাভাইরাস আক্রান্ত ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মধ্যে হঠাৎ স্ট্রোকের ঘটনা বেড়েছে।
এ ব্যাপারে নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হেলথ সিস্টেমের নিউরোসার্জন ডা. থমাস অক্সলে সিএনএনকে বলেছেন, সম্প্রতি স্ট্রোকের কারণে পাঁচ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী তাদের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন। প্রত্যেকের বয়স ৫০ এর নিচে। কিন্তু, প্রাথমিকভাবে তাদের মধ্যে কোভিড-১৯ এর কোনো ধরনের উপসর্গ ছিল না বললেই চলে।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে আক্রান্তদের ধমনীতে রক্ত জমাট বেধে যাওয়ায় মারাত্মক স্ট্রোক হতে দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদন থেকে দেখা যাচ্ছে, দুই সপ্তাহের মধ্যে তরুণদের হঠাৎ স্ট্রোকের ঘটনা সাত গুণ বেড়েছে।
তিনি আরও বলেন, এদের বেশিরভাগেরই অসুস্থতার কোনো ইতিহাস নেই। কোভিড-১৯ রোগের হালকা লক্ষণ (দুইজনের ক্ষেত্রে কোনো লক্ষণই ছিল না) নিয়ে তারা বাড়িতেই ছিলেন। কিন্তু, টেস্টের পর তারা সবাই নভেল করোনাভাইরাস পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।
ডা. থমাস অক্সলের মতে, এখন অবধি মানুষকে কেবলমাত্র শ্বাসকষ্ট বা উচ্চ তাপমাত্রার উপসর্গের ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য জরুরিভিত্তিতে ফোন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু করোনার হালকা উপসর্গের পাশাপাশি স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকলেও রোগীকে জরুরিভিত্তিতে হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে। স্ট্রোকের ঘটনায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। স্ট্রোকের ক্ষেত্রে কয়েক ঘন্টাই শারীরিক ক্ষতির মাত্রায় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। এ পার্থক্য নির্ভর করবে স্ট্রোকের উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর কত দ্রুত তাকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে তার ওপর।
যেহেতু স্ট্রোক খুব টাইম সেনসিটিভ, তাই জরুরি মেডিকেল সেবার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ব্রেইনস্টোকের ক্ষেত্রে ছয়ঘন্টার মধ্যে এবং অন্যান্য স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রোগীকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা জরুরি।
স্ট্রোকের রোগী বোঝার ক্ষেত্রে FAST পদ্ধতি অবলম্বনেরও পরামর্শ দেন ডা. অক্সলে, এফ - ফেইস ড্রুপিং (মুখ বেঁকে যাওয়া), এ - আর্ম উইকনেস (হাতের শক্তি হারিয়ে ফেলা), এস - স্পিচ ডিফিকাল্টি (কথা বলতে সমস্যা), টি - টাইম টু কল ইমার্জেন্সি মেডিকেল সার্ভিস (অনতিবিলম্বে অ্যাম্বুলেন্স ডাকা)
মানবদেহে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাবে নিকোটিন: গবেষণা

মানবদেহে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাবে নিকোটিন: গবেষণা

ফ্রান্সের একটি নতুন গবেষণায় গবেষকরা দেখেছেন যে, নিকোটিনের কারণে নভেল করোনাভাইরাস মানবদেহে সংক্রমিত হতে পারে না। এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ বা প্রতিকারে নিকোটিন ব্যাপকভাবে ব্যবহার  করা যায় কি না – সে বিষয়ে আরও গবেষণা চলছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এ খবর জানিয়েছে এনডিটিভি।


এদিকে, নিকোটিনের প্রভাব সংক্রান্ত এই গবেষণার জন্য ফ্রান্সের একটি শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালকে বেছে নেওয়া হয়। সেখানকার ৩৪৩ জন নভেল করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর ওপর গবেষণা চালনা হয়।
এমনিতে, ফ্রান্সের শতকরা ৩৫ ভাগ মানুষ ধূমপায়ী হলেও, ওই গবেষণায় অংশ নেওয়া করোনা রোগীদের মধ্যে মাত্র পাঁচ শতাংশ ধূমপায়ী পাওয়া গেছে। অর্থাৎ,যাদের শরীরে নিকোটিনের উপস্থিতি রয়েছে তারা নভেল করোনাভাইরাসে কম আক্রান্ত হচ্ছেন।

এ ব্যাপারে ফ্রান্সের পাস্তর ইনস্টিটিউটের বিশ্ববিখ্যাত নিউরোবায়োলজিস্ট জ্যা পিয়েরে চ্যাঙ্গিউক্স বলেন, মানবকোষের ওপর নিকোটিন এমন এক আবরন তৈরি করে যা কোষে নভেল করোনাভাইরাসের আক্রমণকে প্রতিহত করে।
অন্যদিকে, ফ্রান্সের ওই হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা দানকারীদের শরীরে প্রাথমিকভাবে নিকোটিন প্যাচ ব্যবহার করে নভেল করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে নিকোটিনের কর্মক্ষমতা পরীক্ষার পরবর্তী ধাপ সম্পন্ন করা হবে। গবেষকরা মনে করছেন – করোনাভাইরাসে মৃত্যুহার কমাতে নিকোটিন কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।
এর আগে, নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণা পত্রেও দেখানো হয়েছিল, চীনে প্রতি এক হাজার জন করোনা আক্রান্তের মধ্যে মাত্র ১২.৬ জন ধূমপায়ী রয়েছেন। যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, চীনে প্রতি ১০০ জনে ২৬ জন ধূমপায়ী রয়েছেন।
করোনা চিকিৎসায় ট্রাম্পের ‘হাস্যকর’ ও ‘বিপদজনক’ প্রস্তাব

করোনা চিকিৎসায় ট্রাম্পের ‘হাস্যকর’ ও ‘বিপদজনক’ প্রস্তাব

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নভেল করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় ইনজেকশনের মাধ্যমে আক্রান্তের শরীরে কীটনাশক ঢুকিয়ে দেওয়া এবং আক্রান্তের শরীর অতি বেগুনি রশ্মির নিচে রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্টের দেওয়া ওই প্রস্তাবনাকে ‘হাস্যকর’ ও ‘বিপদজনক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকরা। খবর বিবিসি।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শাখার প্রধান উইলিয়াম ব্রায়ান এক গবেষণার বরাতে উল্লেখ করেছিলেন – সূর্যের আলো ও তাপে করোনাভাইরাস দূর্বল হয়ে পড়ে। এবং মানুষের লালা ও শ্বাসযন্ত্রে থাকা নভেল করোনাভাইরাস আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহলের মাধ্যমে আরও দ্রুত বিনাশ করা সম্ভব। এছাড়াও, ব্লিচিং পাউডারের মতো কীটনাশক নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে মার্কিন চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কীটনাশক বিষাক্ত পদার্থ, মানব শরীরের ত্বক, চোখ এবং শ্বাসযন্ত্রে ওই বিষের কারণে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হবে।

অন্যদিকে, প্রসিডেন্ট যখন করোনা চিকিৎসায় এই প্রস্তাবনা দিচ্ছিলেন তখন তার পাশেই উপস্থিত ছিলেন হোয়াইট হাউজের করোনাভাইরাস সাড়াদান কার্যক্রমের সমন্বয়ক ডা. ডেবোরা ব্রিক্স। তিনি প্রেসিডেন্টকে জানান – এমন চিকিৎসা পদ্ধতি কেউ কখনও প্রয়োগ করেনি। প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবনা তাহলে প্রথম আমাদের আগে পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
এ ব্যাপারে শ্বাসযন্ত্রের রোগে বিশেষজ্ঞ ডা. ভিন গুপ্ত এনবিসি নিউজকে জানিয়েছেন, শুধুমাত্র মরতে চাইলেই মানুষ ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পদ্ধতিগুলো গ্রহণ করতে পারে।
এছাড়াও, শ্বাসযন্ত্রের রোগের আরেক বিশেষজ্ঞ জন বামস জানিয়েছেন, যদি কারো শ্বাসযন্ত্রে ক্লোরিন বা আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল প্রবেশ করে তাহলে তার মৃত্যু সুনিশ্চিত।
প্রসঙ্গত, চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বিশ্বমহামারি কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শুক্রবার(২৪ এপ্রিল) পর্যন্ত মোট আট লাখ ৮৬ হাজার ৭০৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ৫০ হাজার ২৪৩ জনের। চিকিৎসা নিয়ে নিয়মিত জীবনে ফিরে গেছেন ৮৫ হাজার ৯২২ জন।
প্রথম ট্রায়ালে ‘ব্যর্থ’ করোনার মার্কিন ওষুধ

প্রথম ট্রায়ালে ‘ব্যর্থ’ করোনার মার্কিন ওষুধ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এর চিকিৎসায় ওষুধ উৎপাদনে হন্যে হয়ে উঠেছে বিশ্বের বড় বড় ওষুধ কোম্পানিগুলো। তবে এখন পর্যন্ত জাপানের অ্যাভিগানের বাইরে কোনো ওষুধে সাফল্যের খবর মেলেনি। একই পরিণতি বরণ করতে হয়েছে মার্কিন কোম্পানি জিলিড সায়েন্সকেও। প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে তাদের তৈরি ‘রেমডেসিভির’ নামের অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধটি থেকে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়নি।


বিবিসি’র খবরে বলা হয়, চীনে এই ওষুধটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালু হয়েছিল। তবে করোনাভাইরাসে আক্রন্ত যাদের ওপর ওষুধটি প্রয়োগ করা হয়েছে, এই ওষুধে তাদের তেমন কোনো শারীরিক উন্নতি দেখা যায়নি।
ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের এই ব্যর্থতার খবর আবার বেরিয়ে এসেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফাঁস হওয়া এক নথিতে। ভুল করে তারা এই তথ্য তাদের ওয়েবসাইটের একটি অংশে আপডেট হিসেবে যুক্ত করেছিল। পরে ওই পোস্টটি সাইট থেকে সরিয়ে নিলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বীকার করে নিয়েছে, তথ্যে কোনো ভুল নেই।

ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফল জানিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওই পোস্টে বলা হয়, রেমডেসিভির রোগীর শারীরিক অবস্থার যেমন উন্নতি করতে পারেনি, তেমনি করোনাভাইরাসের উপস্থিতিও কমাতে পারেনি।
ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্য তুলে ধরে স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, ২৩৭ জন রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে ১৫৮ জনকে রেমডেসিভির ওষুধটি দেওয়া হয়, বাকি ৭৯ জনকে এই ওষুধ দেওয়া হয়নি।
একমাস পর দেখা যায়, ওষুধ সেবন করা রোগীদের ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ মারা গেছেন। অন্যদিকে যাদের ওষুধ দেওয়া হয়নি, তাদের ১২ দশমিক ৮ শতাংশ মারা গেছেন। তবে ওষুধটির কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও ছিল। যে কারণে ওষুধটির প্রয়োগ আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পর্কে তাদের পোস্টে সারাংশ হিসেবে লিখেছে, রেমডেসিভির ওষুধটির ‘ক্লিনিক্যাল’ বা ‘ভাইরোলজিক্যাল’ উপকার পাওয়া যায়নি।
রেমডেসিভিরের উৎপাদন জিলিড সায়েন্স অবশ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওই পোস্টকে ‘ভুল ব্যাখ্যা’ হিসেবে অভিহিত করছে। কোম্পানির একজন মুখপাত্র বলেন, আমরা মনে করছি, ওই পোস্টে (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পোস্ট) গবেষণাটির বৈশিষ্ট্য সঠিকভাবে চিত্রায়িত হয়নি। খুব অল্পসংখ্যক ব্যক্তি পাওয়া যাওয়ায় দ্রুতই ওষুধ প্রয়োগ বন্ধ করা হয়েছিল। ফলে পরিসংখ্যানগত দিক থেকে এটি অর্থবহ নয়।
তিনি আরও বলেন, এই ট্রায়ালের ফল সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতো পর্যাপ্ত নয়। যদিও আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে থাকা রোগীদের মধ্যে এটি ভালো কাজ করছিল— এমন প্রবণতা দেখা যাচ্ছিল।

Sunday, April 19, 2020

করোনায় শুধুমাত্র ইউরোপে এক লাখ মৃত্যু

করোনায় শুধুমাত্র ইউরোপে এক লাখ মৃত্যু

চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণে সৃষ্ট কোভিড-১৯ এ মৃতের সংখ্যা শুধুমাত্র ইউরোপ মহাদেশে এক লাখ ছাড়িয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) পর্যন্ত সারাবিশ্বে মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৯৫০ জনের। খবর ডয়চে ভেলে।


এখনও পর্যন্ত নভেল করোনাভাইরাসে মহাদেশ হিসেবে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে ইউরোপ। এই মহাদেশে মৃতের সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে ইতালি। ইতালিতে মোট মৃতের সংখ্যা ২৩ হাজার ২২৭ জন। এরপর রয়েছে স্পেন, সেখানে মৃতের মোট সংখ্যা ২০ হাজার ৪৫৩ জন।
এদিকে, ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্সে মৃতের সংখ্যা ১৯ হাজার ৩২৩ জন, যুক্তরাষ্ট্রে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৬ হাজার ৬০ জনের। এছাড়াও বেলজিয়ামে পাঁচ হাজার ৬৮৩, জার্মানিতে চার হাজার ৫৪৭ এবং নেদারল্যান্ডসে তিন হাজার ৬৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে,নভেল করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে সুইডেন ও সুইজারল্যান্ডে। দেশদুটিতে যথাক্রমে এক হাজার ৫৪০ জন এবং এক হাজার ৩৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বিশ্বমহামারি কোভিড-১৯ এ রোববার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত সারাবিশ্বে মোট ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৩২ জন আক্রান্ত হয়েছেন মোট মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ৬১ হাজার ৯৫০ জন এবং চিকিৎসা নিয়ে নিয়মিত জীবনে ফিরে গেছেন ছয় লাখ ছয় হাজার ৬৭৫ জন।