Showing posts with label ক্রিকেট. Show all posts
Showing posts with label ক্রিকেট. Show all posts

Sunday, April 19, 2020

১০০ পরিবারের পাশে মেরিনার ক্লাব

১০০ পরিবারের পাশে মেরিনার ক্লাব

ঢাকা: মরণব্যাধী করোনাক্রান্তিতে দেশের সবচেয়ে বিপর্যস্ত অবস্থায় আছেন দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষজন। একবেলা রুটি-রুজি ব্যবস্থা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। এমন ক্রান্তির সময় দেশের দুস্থ মানুষদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন ক্রীড়াঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা। এরই ধারাবাহিকতায় দিনমজুরদের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ঢাকার দল মেরিনার ইয়াংস ক্লাব।




রাজধানীর মতিঝিলের আরামবাগ এলাকায় দুস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক উদ্যোগে অংশ নিয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। প্রথম দফায় ওই এলাকার একশ’ অসহায় পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে মেরিনার ইয়াংস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান উল্লাহ খান রানা জানান, ‘৪০ বছ‌রের ম‌তো হ‌বে। আমরা ম‌তি‌ঝিলের আরামবা‌গ এলাকার দুই মস‌জি‌দে প‌বিত্র শ‌বে বরা‌তে আখে‌রি মোনাজাত শে‌ষে তোবারক বিতরণ ক‌রে আস‌ছি। শুরু থে‌কেই পু‌রো আ‌য়োজন‌টি হয় ঢাকা মে‌রিনার ইয়াংস ক্লা‌বের তত্ত্বাবধা‌নে। আর অর্থের যোগান আসে আমাদের প‌রি‌চিত সুহৃদ‌দের কাছ থে‌কে।’

‘প্রথম থে‌কেই আমা‌দের এ আ‌য়োজ‌নে বড় অং‌কের অর্থের যোগান দি‌য়ে আস‌ছেন কিউট কোম্পা‌নির চেয়ারম্যান কাজী মাহতাবউ‌দ্দিন আহ‌মেদ, আমা‌দের বাদল ভাই। তি‌নি আমা‌দের ছে‌ড়ে চ‌লে গে‌লেও কিউ‌টের পক্ষ থে‌কে সেই সহ‌যো‌গিতা অব্যাহত আছে এখনও। শরীফ মেটা‌লের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক ভাই এক‌টি অংশ বহন ক‌রে আস‌ছেন নিয়‌মিত। প্রথম দি‌কে এ আ‌য়োজন‌টি ছিল ৩০০ জ‌নের জন্য। আর সব‌শেষ গত বছর তা দা‌ড়ি‌য়ে‌ছিল ২৬০০ জ‌নের।’
এবার সঙ্গত কারণে সেই উদ্যোগ নেয়া সম্ভব হচ্ছে না করোনাক্রান্তিতে। তবে এমন কঠিন সময়ে বিপর্যস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলে জানান রানা, ‘ত‌বে এবার আমরা সেই কাজ‌টি করে‌ছি অন্যভা‌বে। তা‌লিকা ক‌রে ম‌তি‌ঝিল আরামবাগ এলাকার প‌রি‌চিত কর্মজী‌বি ও দিনমজুর‌দের বা‌ড়ি‌তে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পা‌ঠি‌য়ে‌ছি শুক‌নো খাদ্যসামগ্রী দি‌য়ে তৈ‌রি উপহার সামগ্রীর এক‌টি ব্যাগ। খোঁজ নি‌য়েছি তা‌দের। উপহার পে‌য়ে তা‌দের তু‌ষ্টির সংবা‌দে আমরা তৃপ্ত।’
করোনাক্রান্তিতে এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি, ‘প্র‌তিশ্রু‌তি দি‌য়ে‌ছি মে‌রিনার ক্লাব ভ‌বিষ‌্য‌তে তা‌দের পা‌শে থাকবে। প্রথম দফায় ১০০ প‌রিবার‌কে সাহায্য ক‌রে‌ছি। সিদ্ধান্ত নি‌য়ে‌ছি পু‌রো রোজার মাসজু‌ড়ে আরও ক‌য়েক দফায় নতুন ক‌য়েকশত প‌বিরার‌কে এমন উপহার পাঠা‌নোর। আশা কর‌ছি এরম‌ধ্যে আমা‌দের জানার বাই‌রে থাকা ‌কিছু প‌রিবা‌রের সন্ধান পা‌বো।’
সেই সঙ্গে এই মানবিক উদ্যোগে সামর্থবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রানা, ‘সেই সা‌থে আশা কর‌বো আমার সার্মথ্যবান সুহৃদরাও সহ‌যো‌গিতার হাত বা‌ড়ি‌য়ে দে‌বেন।’


‘মেসি গেলেও বার্সার কিছুই হবে না’-সান্দ্রো রসেল

‘মেসি গেলেও বার্সার কিছুই হবে না’-সান্দ্রো রসেল

বার্সেলোনার ইতিহাস নতুন করে লিখেছেন লিওনেল মেসি। কেবল ঘরোয়া টুর্নামেন্ট নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বার্সার সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। স্প্যানিশ ঘরোয়া ফুটবল লিগ লা লিগার ইতিহাসে বার্সেলোনার সর্বোচ্চ গোলদাতা তো বটেই সমগ্র লা লিগার ইতিহাসেরও সর্বোচ্চ গোলদাতা এই আর্জেন্টাইন কিংবদন্তী। আর সে ক্লাব ছাড়লেও নাকি বার্সেলোনার কিছুই হবে। এমনটাই মনে করছেন বার্সেলোনার সাবেক প্রেসিডেন্ট সান্দ্রো রসেল।





২০১৩ সালে সান্তোস থেকে নেইমারকে দলে ভেড়ানোর কাজটা বেশ দক্ষতার সঙ্গেই করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে নেইমারকে দলে ভেড়াতে টেবিলের তলানি দিয়ে নেইমারের পরিবারকে অর্থ প্রদান করেছিলেন তিনি। আর সেই সঙ্গে ফাঁকি দিয়েছিলেন স্প্যানিশ সরকারের প্রাপ্য রাজস্বও। এর জের ধরেই জেলের মুখ দেখতে হয়েছিল তাকে।
এবার আবারো আলোচনায় সান্দ্রী রসেল। সম্প্রতি স্প্যানিশ দৈনিক মুন্ডো দেপোর্তিভোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'আমি মানি যে বার্সেলোনার ইতিহাস পাল্টাতে মেসির ভূমিকায় সব থেকে বেশি। কিন্তু মেসি চলে গেলেও বার্সেলোনার কিছুই হবে না। বার্সেলোনা বার্সেলোনায় থাকবে।'

লিওনেল মেসি ক্লাব ফুটবলে ৭৫০ ম্যাচ খেলে গোল করেছেন ৬৩৮টি। জাতীয় দল আর্জেন্টিনার হয়ে ১৬১ ম্যাচ খেলে ৮৬ গোল করেছেন। সম্প্রতি নেইমারকে দলে পুনরায় ভেড়ানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছে বার্সা। আর তাতেও সায় দিয়েছেন সাবেক বার্সা প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, 'আমি জানি বিভিন্ন সময়ে নেইমার নানান ঝামেলায় জড়িয়েছে কিন্তু একজন খেলোয়াড় হিসেবে সে দুর্দান্ত। বার্সেলোনার জন্য সে অনেক কিছু করতে পারবে বলে আমার মনে হয়।'
অবশ্য কেবল খেলোয়াড়ি কারণে নেইমারকে পুনরায় বার্সায় ভেড়ানোর কথা বলেননি রসেল। সেই সঙ্গে নেইমার যে একজন মহাতারকা এবং সে দলে আসলে দলের অর্থনৈতিক দিকটা আরো মজবুত হবে সেটাও মনে করিয়েছেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।
বার্সার প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় কর ফাঁকি দেওয়ার কারণে দুই বছরের জন্য জেলে যেতে হয়েছিল তাকে। সে সম্পর্কে বললেন, 'জেলে আমার জন্য মাত্র ১২ ফুট জায়গা ছিল। এখন অবশ্য আমার বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে বাস করতে পারছি। আর জেলের মতোই এখন কোয়ারেনটাইনে আছি। তবে বাড়িতে ভালো খাবার পাওয়া যায়।'
রিয়াল-চেলসি’র জার্সি পরাকে দুর্ভাগ্য বলছেন মোরাতা

রিয়াল-চেলসি’র জার্সি পরাকে দুর্ভাগ্য বলছেন মোরাতা

কতশত তরুণ ফুটবলার স্বপ্ন দেখেন ক্যারিয়ারের কোনো এক উজ্জ্বল সময়ে গায়ে চড়াবেন রিয়াল মাদ্রিদের সাদা রঙের জার্সিটি। কিংবা সদ্য ইউরোপের জায়ান্ট হয়ে ওঠা চেলসির নীল রঙে মাখবেন নিজের ক্যারিয়ার। অথবা ইতালির বিশ্বসেরা অন্যতম সেরা ক্লাব জুভেন্টাসের সাদা-কালো ডোরা কাটা জার্সি গায়ে চড়িয়ে মন জয় করবেন তুরিনের কোটি ভক্ত সমর্থকদের। তবে এই তিন ক্লাবের জার্সি গায়ে চড়ানোকেই দুর্ভাগ্য মনে করছেন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বর্তমান স্প্যানিশ স্ট্রাইকার আলভারো মোরাতা।




করোনাভাইরাসের কারনে স্থগিত হয়ে যাওয়া ফুটবলের কারণে অলস সময় কাটাচ্ছেন ফুটবলাররা। এর মধ্যেই যুক্ত হচ্ছেন ভক্তসমর্থকদের সঙ্গে নানা ভাবে। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের স্প্যানিশ স্ট্রাইকার আলভারো মোরাতা সম্প্রতি ইতালিয়ান টেনিস তারকা ফ্যাবিও ফগ্নিনি'র সঙ্গে এক ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত থাকাকালীন বলেছেন অ্যাটলেটিকো ছাড়া অন্য ক্লাবের জার্সি পরাটা আমার জন্য দুর্ভাগ্যের ছিল।
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'আমি ছোট থেকেই অ্যাটলেটিকোর সমর্থক। আমি অ্যাটলেটিকো ছেড়ে হেতাফে গিয়েছি, এরপর রিয়াল মাদ্রিদে কিন্তু আমি সব সময় স্বপ্ন দেখতাম অ্যাটলেটিকোর হয়ে ভিসেন্তে ক্যালদেরনে খেলার। এটা আসলে আমার দুর্ভাগ্য যে আমি অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ছাড়া অন্য ক্লাবের জার্সি গায়ে চড়িয়ে খেলেছি।।'

কেবল রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাস কিংবা চেলসির হয়ে খেলাকেই দুর্ভাগ্য মনে করছেন না মোরাতা। সেই সঙ্গে বলছেন, 'আমি রিয়াল, জুভেন্টাস কিংবা চেলসির জার্সি পরে খেললেও সবসময়ই আমি অ্যাটলেটিকোর সমর্থক ছিলাম। অবশেষে অ্যাটলেটিকোর জার্সি পরে খেলতে পারছি এটাই আমার কাছে সব থেকে বড় পাওয়া। আর এটা আমাকে অনেক সুখী করেছে।'
২০১০ সালে মোরাতা প্রথম নজরে আসে বিশ্বের। সে সময় ইউরোপিয়ান জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের যুব একাডেমির খেলোয়াড় ছিলেন তিনি। এরপর আসতে আসতে রিয়াল মাদ্রিদের একাদশে নিয়মিতই দেখা মিলত মোরাতার। তবে স্ট্রাইকার হিসেবে সে সময় গঞ্জালো হিগুইন, করিম বেনজেমা থাকায় বেঞ্চেই কাটাতে হত বেশি সময়।
এরপর ২০১৩ সালে কার্লো আনচেলোত্তির অধীনে দারুণ সময় কাটান তিনি। রিয়ালের সঙ্গে জেতেন চ্যাম্পিয়নস লিগ। এরপর ধারে দুই মৌসুমের জন্য পাড়ি জাম্ন ইতালিয়ান জায়ান্ট জুভেন্টাসে। জুভেদের হয়ে ফাইনাল খেলেন মোরাতা তবে হারতে হয় বার্সার কাছে। এরপর আরো এক মৌসুম সেখানে কাটিয়ে আবারো ফেরেন রিয়ালে। ২০১৬ সালের জুনে ফেরার পর রিয়ালের হয়ে লা লিগা এবং নিজের দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়নস লিগও জেতেন মোরাতা। এরপর দলের প্রথম পছন্দের স্ট্রাইকার হওয়ার লক্ষ্যে নাম লেখান চেলসিতে। তবে সেখানে নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ হলে অবশেষে পাড়ি জমান নিজের শৈশবের ক্লাব অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদে। সেখানেই বর্তমান খেলছেন মোরাতা।


Sunday, June 12, 2016

মুস্তাফিজকে নিয়ে সিদ্ধান্ত দুই সপ্তাহ পর

মুস্তাফিজকে নিয়ে সিদ্ধান্ত দুই সপ্তাহ পর

আরও সপ্তাহ দুয়েক পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় থাকবেন মুস্তাফিজুর রহমান। শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করা হবে আরও ৮ দিন পর। তরুণ এই পেসারের জন্য ইংলিশ কাউন্টি দল সাসেক্সের অপেক্ষা তাই আরও বাড়ছে।

আইপিএল থেকে ফেরার পর সাতক্ষীরায় কয়েক দিন বিশ্রাম নিয়ে আবার ঢাকায় ফিরেছেন মুস্তাফিজ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া। বিসিবি একাডেমির জিমে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন ফিজিও-ট্রেনারদের সঙ্গে।

মুস্তাফিজের সঙ্গে সেশন শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম খান জানালেন, দুটি সমস্যা নিয়ে মূলত কাজ করা হচ্ছে।

মুস্তাফিজকে নিয়ে সিদ্ধান্ত দুই সপ্তাহ পর

“হ্যামস্ট্রিং ও অ্যাংকেলের চোটটা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। শোল্ডার ও সাইড স্ট্রেইনের বিষয়গুলো রিকভার হয়ে গেছে। আমরা চিন্তা করেছি ওকে প্রতি সপ্তাহে অ্যাসিস্ট করবো এবং দেখবো যে প্রতি সপ্তাহে কতটুকু উন্নতি সে করেছে। সেটির উপর ভিত্তি করে আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।”

“প্রথম সপ্তাহে এরকম কোনো সম্ভাবনা (মাঠে নামার) দেখছি না। পরবর্তীতে ভালো কোনো অবস্থায় গেলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

বিসিবির একটি সূত্র বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে নিশ্চিত করেছে, ৮ দিন পর মুস্তাফিজের অবস্থা পর্যালোচনা করা হবে। তাই অন্তত আরও দুই সপ্তাহের মধ্যে তার মাঠে নামার মত অবস্থায় ফেরার সম্ভাবনা সামান্যই।

আশা নিয়ে মুস্তাফিজের অপেক্ষায় থাকা সাসেক্সের জন্য এটি তাই বড় ধাক্কা। গত ৩ জুনের ম্যাচ থেকে মুস্তাফিজকে পেতে চুক্তি করেছিল তারা। আইপিএল মাতিয়ে আসা তরুণ পেসারের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বুঝে পরে কাউন্টি দলটি ছাড় দিয়েছিল খানিকটা। অধিনায়ক লুক রাইট জানিয়েছিলেন, ১০ জুনের ম্যাচে মুস্তাফিজকে পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন তারা।

কেন্টের বিপক্ষে সেই ম্যাচে তো বটেই, ১৬ জুন মিডলসেক্সের বিপক্ষে ম্যাচেও এখন মুস্তাফিজকে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। পরের ম্যাচগুলোতেও তার খেলার নিশ্চয়তা নেই। সব মিলিয়ে অনিশ্চিত মুস্তাফিজের ইংল্যান্ড অভিযান।
বিসিবি এইচপির দায়িত্ব নিচ্ছেন মুস্তাফিজদের সহকারী কোচ

বিসিবি এইচপির দায়িত্ব নিচ্ছেন মুস্তাফিজদের সহকারী কোচ

শুক্রবার ঢাকায় এসেছেন হেলমট। শনিবার বিসিবিতে সারা হয় চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা। আপাতত তিন মাসের জন্য দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ৪৪ বছর বয়সী কোচ। আসছে অগাস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এইচপি ইউনিট নিয়ে কাজ করবেন হেলমট।

তবে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী জানালেন, হেলমটকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী ভাবনা আছে বিসিবির।

“আমাদের এইচপি প্রোগ্রামের সার্বিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাকে। আমরা সাধারণত দিন ভিত্তিতে চুক্তি করি। কিন্তু উনাকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা আছে। পারফরম্যান্স সন্তোষজনক হলে হয়ত দ্বিগুণ মেয়াদে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।”

বিসিবি এইচপির দায়িত্ব নিচ্ছেন মুস্তাফিজদের সহকারী কোচ

মেলবোর্নে জন্ম নেওয়া হেলমট শীর্ষ পর্যায়ে কখনও ক্রিকেট খেলতে পারেননি। মাত্র ২৫ বছর বয়সেই নাম লেখান কোচিংয়ে। অস্ট্রেলিয়ায় কেচিং করিয়েছেন বিভিন্ন দলে। তার কোচিংয়ে ভিক্টোরিয়া বুশরেঞ্জার্স তিন বার খেলেছে ঘরোয়া একদিনের ম্যাচের টুর্নামেন্টের ফাইনালে; শিরোপা জিতেছে একবার।

বিগ ব্যাশে টানা চার বছর ছিলেন মেলবোর্ন রেনিগেডসের দায়িত্বে। বর্তমানে সহকারী কোচ হোবার্ট হারিকেন্স দলে। আইপিএলে মুস্তাফিজের হায়দরাবাদে ছিলেন টম মুডির সহকারী। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো দলের তিনি প্রধান কোচ।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলেও কিছু দিন ছিলেন প্রধান কোচ। সহকারী কোচ ছিলেন ২০১০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অস্ট্রেলিয়া দলে।

বিসিবি এইচপির সবশেষ প্রোগ্রামে গত বছরের জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোচের দায়িত্বে ছিলেন ইংল্যান্ডের ম্যাল লয়।