Showing posts with label শিক্ষা. Show all posts
Showing posts with label শিক্ষা. Show all posts

Friday, April 24, 2020

চবিতে কম্পিউটার মনিটর চুরির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

চবিতে কম্পিউটার মনিটর চুরির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) প্রতিবন্ধীদের কম্পিউটার মনিটর চুরির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।


বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরিণ আখতারের নির্দেশে কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রক্টর অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহবুবুল হককে কমিটির আহবায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, সদস্য সচিব আইসিটি সেলের সিনিয়র এ্যাসিসটেন্ট সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেটর মো মজনু মিয়া ও সদস্য সহকারী প্রক্টর ড. মো আতিকুর রহমান।

প্রক্টর মনিরুল হাসান বলেন, উপাচার্য ম্যাডাম তদন্ত কমিটি করার অনুমোদন দিয়েছেন। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে, মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি থেকে ১৪টি কম্পিউটার মনিটর চুরি হয়। এছাড়া আরও ৪টি সিপিইউ পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

Sunday, April 19, 2020

অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষার্থীদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষার্থীদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

ঢাকা: নভেল করোনাভাইরাসের গণসংক্রমণ ঠেকাতে মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে সংকটকালে ক্লাসের দরজা বন্ধ থাকলেও বন্ধ নেই শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই এখন অনলাইনে চালিয়ে যাচ্ছে নিজেদের শিক্ষা কার্যক্রম।


বাংলাদেশের বেশিরভাগ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের অভিজ্ঞতাটা একেবারেই নতুন। নতুন হলেও এই মাধ্যমটিই এখন একমাত্র ভরসা।
প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের শিক্ষা কার্যক্রম টেলিভিশনের মাধ্যমে নেওয়া হলেও, উচ্চশিক্ষায় দেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাস নিচ্ছে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে। ফেসবুক গ্রুপ থেকে শুরু করে গুগল ক্লাসরুম, জুম, ডুয়ো, ভাইভার, হোয়াটসঅ্যাপ, হ্যাংআউট সহ নানা অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন শিক্ষকেরা।

ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে এসব ক্লাসের অনেক সুবিধা থাকলেও, রয়েছে কিছু বিপত্তিও। যেমন: ক্লাসের সময় পেরিয়ে গেলেও ইন্টারনেটের গতি কম থাকায় ক্লাসে যুক্ত হতে পারেন না অনেক শিক্ষার্থী। আবার অনেকের ক্ষেত্রে নেই যুক্ত হবার ডিভাইসও। তবে সব মিলিয়ে এভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষেই বেশিরভাগ শিক্ষার্থী।
রাজধানীর ইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিষয়ের শিক্ষার্থী মাহবুব কামাল বলেন, এই সময়টায় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকলে সেশনজট হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকত। এখন সেটি নেই। আমাদের ক্লাসের প্রত্যেক শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন অনলাইন ক্লাসে। ফলে সেমিস্টারের কোর্সগুলো পড়া হয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় খুললেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে।
সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর শিক্ষার্থী মেহজাবিন ফওজিয়া তিসা বলেন, আমরা সম্মান শেষ করবো করবো করছি কিন্তু এর আগেই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গেছে। কিছু ক্লাস বাকি ছিল, সেগুলো এখন অনলাইনে করছি। শিক্ষকেরা বলেছেন, ক্যাম্পাস খুললেই পরীক্ষা নিয়ে নেওয়া হবে। ভিডিওকলে ক্লাস করার পর মনে হলো, পরীক্ষা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি।
আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের শান্তা বলেন, বন্ধের কালে ঘরে বসে করার মত এমন কিছুই ছিল না। ফলে একসময় যে ক্লাসকে ভয় পেতাম, এখন সেটিকেই আশীর্বাদ মনে হচ্ছে। ক্লাস অনেকটা আড্ডার ছলে নেওয়া হয়। তাই বিরক্তি ছাড়াই শেখা যাচ্ছে অনেক কিছু।
এদিকে ইন্টারনেটের ধীরগতি ও উচ্চমূল্যের কারণে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে অনেকেই অংশ নিতে পারছেন না বলে সারাবাংলাকে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী পিয়াস আহমেদ বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উত্তরবঙ্গে নিজের গ্রামের বাড়িতে চলে গেছেন তিনি। সেখানে ইন্টারনেট সংযোগ অনেক বেশি ধীর গতির, তাই অনলাইনে ক্লাস চললেও সেখানে যুক্ত হতে পারছেন না তিনি।
পিয়াস বলেন, গ্রামে মোবাইল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভিডিও কলিং খুবই কঠিন একটি বিষয়। কারণ দূর্বল নেটওয়ার্ক। এখন ক্লাস চললেও, আমি দুটির বেশি ক্লাসে অংশ নিতে পারিনি। শিক্ষকদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ওনারা বলেছেন ছুটির পর মেইক-আপ ক্লাস করাবেন।
এদিকে করোনাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মত বেশিরভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ই অনলাইনে ক্লাস বা শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। শিক্ষার্থীদের গেজেট স্বল্পতার কথা বিবেচনা করে আপাতত ক্লাস বন্ধ থাকলেও ক্যাম্পাস খোলার পর প্রতিদিন একাধিক অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া হবে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, চাইলে অনলাইনে ক্লাস নেওয়া যেতো কিন্তু আমাদেরকে শিক্ষার্থীদের বিষয়টি আগে বিবেচনা করতে হয়েছে। অনেকের হয়তো ভাল ফোন বা ল্যাপটপই নেই। সে কিভাবে ক্লাসে যুক্ত হবে? বেশিরভাগ শিক্ষার্থী এবার গ্রামে চলে গেছে। সেখানে ইন্টারনেট সংযোগ অত্যন্ত ধীরগতির। এসব বিষয় বিবেচনা করে আমরা অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছি না। ছুটির পর প্রচুর ক্লাস নিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া হবে।
এদিকে করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস নিতে উৎসাহ দিলেও পরীক্ষা নিতে আপত্তি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
গত ২৪ মার্চ ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে (ইউজিসি) অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উৎসাহিত করা হয়। এরপর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ, সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটিসহ বেশকিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে ক্লাস নিতে শুরু করে।
তবে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সুবিধার আড়ালে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে পরীক্ষা নিতেও শুরু করেছে। আর এতেই আপত্তি জানিয়েছে ইউজিসি। তারা অনলাইনে পরীক্ষা ও ভর্তি নেওয়ার কার্যক্রম বন্ধের জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইউজিসির জনসংযোগ ও তথ্য অধিকার বিভাগের পরিচালক ড. শামসুল আরেফিনের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে করোনাভাইরাস সংক্রমণকালীন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণ, মূল্যায়ন ও শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম বন্ধ রাখতে ইউজিসি'র নির্দেশের কথা জানানো হয়।
জবি শিক্ষকদের উদ্যোগে অনলাইনে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা

জবি শিক্ষকদের উদ্যোগে অনলাইনে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা

জবি: বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও করোনাভাইরাসের সংক্রমন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিদিনের ব্যাক্তিগত এবং সামাজিক জীবনের পাশাপাশি আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। ভাইরাসজনিত এই উদ্বেগ দূর করে কিভাবে মানসিকভাবে সুস্থ থাকা যায় সে ব্যাপারে অনলাইনে ‘মানসিক স্বাস্থ্যসেবা’ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকরা।

গতকাল রোববার (১২ এপ্রিল) রাতে মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি জানিয়েছেন। শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে যে কেউই সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে এই মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারবেন। সেখানে মনোবিজ্ঞান বিভাগের ১৬ জন শিক্ষকের নাম, মোবাইল নম্বর এবং ইমেইল এড্রেস প্রকাশ করা হয়েছে।

এছাড়া সেবা পেতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক/মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করা যাবে। মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যানের অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ বিভাগের সব শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা যায় ।
এর আগেও করোনা পরিস্থিতিতে মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, যদি মনোবিজ্ঞান বিভাগের কোনো শিক্ষার্থী আর্থিক ও মানসিক সমস্যায় পরেন তাহলে নিসংকোচে চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েল মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘যারা মানসিকভাবে উৎকণ্ঠায় ভোগেন তাদের সময় নিয়ে অনলাইনে বা মোবাইফোনে সেবা দেওয়া হবে। এছাড়া বিভাগের কোনো শিক্ষার্থী আর্থিক সমস্যায় পরলে আমরা তাকে সহায়তা করবো।’
চবি ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতির কাণ্ড

চবি ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতির কাণ্ড

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে নিরাপত্তা দফতরের এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া সেই নেতার বিরুদ্ধে মারধর, চুরি, ছিনতাইয়ের একাধিক অভিযোও রয়েছে।


রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নাম্বার গেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার হন মো. বেলায়েত। তিনি নিরাপত্তা দফতরের সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত আছেন।
অভিযুক্ত মারধরকারী ছাত্রলীগ নেতা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনের বগিভিত্তিক সংগঠন বাংলার মুখ গ্রুপের নেতা ও সাবেক সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নাজিম। তার বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ছিলেন।
জানা যায়, শনিবার (১১এপ্রিল) নাজিমের ভাই ও তার বন্ধুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নাম্বার গেইট দিয়ে প্রবেশ করতে চাইলে ক্যাম্পাস লকডাউন থাকায় পুলিশ বাধা প্রদান করে। এই ঘটনায় জের ধরে রোববার (১২ এপ্রিল) বেলায়েতের সঙ্গে নাজিমের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে তলপেটে লাথি মারতে থাকে নাজিম। পরে লাথির আঘাতে বেলায়েতের প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে রক্ত বের হয়। সেখান থেকে তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে, মারধরের পর রোববার (১২ এপ্রিল) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের পাশে একটি দোকান থেকে পুলিশ ও প্রক্টোরিয়ার বডির যৌথ অভিযানে কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চুরি করা মালামাল উদ্ধার করা হয়।
অভিযুক্ত নাজিম বলেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট কথা। সে সম্ভবত করোনা রোগী। তার নাক-মুখ দিয়ে নাকি রক্ত যাচ্ছে। মাস্ক ছাড়া দুই নাম্বার গেটে বসে ছিল। তাকে মেডিকেলে যাওয়ার পরামর্শ দিলে সে রেগে যায়। সবাইকে ভুল বুঝিয়ে বলে আমি তাকে মারধর করছি।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে এর আগেও, এই ছাত্রলীগ নেতা নাজিমের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মারধর, চুরি, ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে। চাঁদা না দেওয়ায় গত বছরের বিশ্ববিদ্যালয়ের মুদি দোকানের এক কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ উঠে মোহাম্মদ নাজিমের বিরুদ্ধে।
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের সামগ্রিক উপকরণ চুরি করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা থাকাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মচারীকে মারধর করেছে। লেডিস ঝুপড়িতে কম জায়গা বরাদ্দ নিয়ে বিশাল জায়গা দখলে নিয়ে কোনো প্রকার ভাড়া না দিয়ে ব্যাবসা করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের থেকে মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগও রয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে। একের পর এক অপরাধ করে থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অসহযোগীতায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছে না বলে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ।
এই বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান সারাবাংলাকে বলেন, কোন কারণ ছাড়াই একজনকে মারধর করেছে। শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য প্রায় দুই আড়াই ঘণ্টা খুঁজছি পাইনি। ওর একটা অবৈধ দোকান ছিল। ওই দোকানটা ভেঙে অবৈধ চুরি করা কিছু মাল, ও রামদা ছিল সেগুলো উদ্ধার করছি। এর আগে ওর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল কি না আমার জানা নেই। আমার সময়ে যেটা পাচ্ছি এর বিরুদ্ধে কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে আজকের এইটা ব্যাবস্থা নিচ্ছি।
প্রাথমিকের বিকেলের ক্লাস এখন থেকে সকালে প্রচারিত হবে

প্রাথমিকের বিকেলের ক্লাস এখন থেকে সকালে প্রচারিত হবে

ঢাকা: সংসদ টিভিতে প্রাথমিকের বিভিন্ন শ্রেণির কার্যক্রম শুরুতে বিকেলে দেখানো হলেও এখন থেকে সকালে সম্প্রচার করা হচ্ছে। নতুন সূচি অনুযায়ী রোববার (১২ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত প্রচারিত হচ্ছে এসব ক্লাস।



‘ঘরে বসে শিখি’ শিরোনামে এ কার্যক্রম গত সপ্তাহ থেকে শুরু হয়।
নতুন ক্লাস রুটিন অনুসারে, প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্রিয়াকলাপভিত্তিক আনন্দদায়ক শিখন, বাংলা, ইংরেজি, বিজ্ঞান, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের ক্লাস সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত সম্প্রচার করা হবে। প্রতিটি ক্লাস ২০ মিনিট প্রচার করা হবে। নতুন ক্লাস রুটিন অনুযায়ী ১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সম্প্রচার করা হবে। এরপর নতুন করে আবার রুটিন প্রকাশ করা হবে।