এ মামলার আসামি মোসলেম প্রধান গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকলেও মো. হোসেন পলাতক রয়েছেন। এই দুজনের বিরুদ্ধে গত বছর ৯ মে এই মামলায় অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয় ট্রাইব্যুনালে।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ। আর আসামিপক্ষে শুনানি করেন আব্দুস ছাত্তার পালোয়ান। আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুস সাত্তার পালোয়ান বলেন, মোসলেম প্রধান একজন কৃষক এবং সৈয়দ মো. হোসেইন পুলিলে কর্মরত ছিলেন।
এই দুজন রাজাকার ছিলেন না। তাদেরকে শাস্তি দোষী সাব্যস্ত করা হলে ইতিহাস বিকৃতির আশঙ্কা রয়েছে। আমরা প্রমাণ করতে পেরেছি তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয়। এজন্য আমরা আদালতে তাদের খালাস চেয়েছি।
তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের মধ্যে মোট ঘটনা ৬টি। এর মধ্যে হত্যার ৬২টি, অপহরণ ও আটক ১১ জনকে এবং লুটপাট ও অগ্নি সংযোগ দুইশত ৫০টি বাড়ী ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। হোসাইন ট্রাইব্যুনালের রায়ে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামি পলাতক হাসান আলীর ছোট ভাই। এই দুই আসামির মধ্যে মোসলেম প্রধান আটক আছেন। হোসাইন পলাতক রয়েছেন।
খবর বিভাগঃ
সারাদেশ
